২৪/১৬৯. অধ্যায়ঃ
সফায় দাঁড়াবার স্থান
সাফায় কাবা দেখে তাকবীর: সাঈর সময় জিকিরের শিক্ষা
সুনানে আন-নাসায়ী : ২৯৭১
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৯৭১
أَخْبَرَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي قَالَ: حَدَّثَنَا جَابِرٌ «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، رَقِيَ عَلَى الصَّفَا، حَتَّى إِذَا نَظَرَ إِلَى الْبَيْتِ كَبَّرَ»
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাফায় উঠে যখন বায়তুল্লাহ দেখতে পেলেন তখন তাকবীর বলেন।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৯৭১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি সংক্ষিপ্ত হলেও সাফায় ওঠার পর রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর একটি আমল জানায়। জাবির (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) সাফা পাহাড়ে উঠলেন। যখন বায়তুল্লাহ তাঁর দৃষ্টিতে এলো, তখন তিনি তাকবীর বললেন। এখানে দীর্ঘ দোয়া বা তাওয়াফের বিবরণ নেই; মূল কথা শুধু সাফায় ওঠা, কাবা দেখা এবং আল্লাহু আকবার বলা। তাই এই হাদিস থেকে সাফা-মারওয়ার সাঈতে জিকিরের একটি অংশ বোঝা যায়। কাবা দেখার মুহূর্তে আল্লাহর বড়ত্ব ঘোষণা করা হয়েছে। যারা সাফায় কী পড়তে হয় বা সাফায় উঠলে কী আমল আছে জানতে চান, তাদের জন্য এটি সরল ও সরাসরি বর্ণনা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাফা পাহাড়ে ওঠার বর্ণনা এসেছে।
- কাবা দেখা গেলে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তাকবীর বলেছেন।
- সাঈর সময় আল্লাহর জিকিরের গুরুত্ব বোঝা যায়।
- হাদিসটি সংক্ষিপ্ত, তাই এর বাইরে বাড়তি দাবি করা ঠিক নয়।
