২৪/১৬৮. অধ্যায়ঃ

সফা ও মারওয়াহ্ প্রসঙ্গে

সাফা-মারওয়ার সাঈ: আয়াতের সঠিক বুঝ ও সুন্নাত

সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৯৬৭

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، قَالَ: " قَرَأْتُ عَلَى عَائِشَةَ {فَلَا جُنَاحَ} [البقرة: 158] عَلَيْهِ أَنْ يَطَّوَّفَ بِهِمَا قُلْتُ: مَا أُبَالِي، أَنْ لَا أَطُوفَ بَيْنَهُمَا " فَقَالَتْ: بِئْسَ مَا قُلْتَ: " إِنَّمَا كَانَ نَاسٌ مِنْ أَهْلِ الْجَاهِلِيَّةِ لَا يَطُوفُونَ بَيْنَهُمَا، فَلَمَّا كَانَ الْإِسْلَامُ وَنَزَلَ الْقُرْآنُ {إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ} [البقرة: 158] الْآيَةَ فَطَافَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَطُفْنَا مَعَهُ فَكَانَتْ سُنَّةً "

উরওয়া (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমি আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট ( فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ يَطَّوَّفَ بِهِمَا) "...তাই যে কেউ কাবা গৃহের (হজ্জ কিংবা উমরা করে) এ দু’টির (সাফা-মারওয়াহ মধ্যে সাঈ করাতে তার কোনো পাপ নেই..."- (সূরা আল বাকারা ২: ১৫৮)।এ আয়াত পাঠ করে বললাম: এ দু’টির মধ্যে সাঈ না করাকে আমি খারাপ মনে করি না। তুমি যা বললে তা খারাপ কথা, জাহিলিয়াতের সময় লোকেরা এই দু’ পাহাড়ের সাঈ করত না। যখন ইসলামের যুগ এলো এবং কুরআন নাযিল হল: ( إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ) “নিশ্চয়ই সাফা ও মারওয়াহ আল্লাহর অন্যতম নিদর্শন..."- (সূরা আল বাকারা ২: ১৫৮)। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাঈ করলেন এবং আমরাও তার সাথে সাঈ করলাম। তাই এটাই সুন্নাত।

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৯৬৭-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে সাফা-মারওয়ার সাঈ নিয়ে একটি ভুল বোঝাবুঝি দূর করা হয়েছে। উরওয়া (রহঃ) আয়িশা (রাঃ)-এর কাছে সূরা আল-বাকারার আয়াত পড়ে বলেন, সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ না করাকে তিনি খারাপ মনে করেন না। আয়িশা (রাঃ) তাকে থামিয়ে বলেন, এটি খারাপ কথা। তিনি জানান, জাহিলিয়াতের সময় কিছু মানুষ এ দুই পাহাড়ের মাঝে সাঈ করত না। পরে ইসলাম এলো, কুরআনে সাফা ও মারওয়াকে আল্লাহর নিদর্শন বলা হলো। এরপর রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) সাঈ করলেন এবং সাহাবীরাও তাঁর সঙ্গে সাঈ করলেন। তাই আয়িশা (রাঃ) বলেন, এটাই সুন্নাত। এই হাদিস শেখায়, আয়াত বুঝতে নবীজির আমল খুব জরুরি।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • আয়াতের অংশ দেখে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়।
  • সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শন হিসেবে কুরআনে এসেছে।
  • রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) সাফা-মারওয়ার সাঈ করেছেন।
  • আয়িশা (রাঃ) সাঈকে সুন্নাত হিসেবে বুঝিয়েছেন।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন