২৪/১৫৮. অধ্যায়ঃ
অন্য দুই রুকনকে স্পর্শ পরিত্যাগ করা
রুকনে ইয়ামানি ও হাজরে আসওয়াদ স্পর্শে ধারাবাহিকতার শিক্ষা
সুনানে আন-নাসায়ী : ২৯৫২
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৯৫২
أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، قَالَ: قَالَ عَبْدُ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ «مَا تَرَكْتُ اسْتِلَامَ هَذَيْنِ الرُّكْنَيْنِ مُنْذُ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَسْتَلِمُهُمَا الْيَمَانِيَ، وَالْحَجَرَ فِي شِدَّةٍ، وَلَا رَخَاءٍ»
নাফি’ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেছেন: আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে রুকনে ইয়ামানী ও হাজরে আসওয়াদকে স্পর্শ করতে দেখার পর হতে সহজসাধ্য বা কষ্টকর যে কোনো অবস্থায় উক্ত রুকনদ্বয় স্পর্শ করা ত্যাগ করিনি।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৯৫২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর দৃঢ় অনুসরণের কথা এসেছে। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে রুকনে ইয়ামানি ও হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করতে দেখার পর থেকে তিনি সহজসাধ্য বা কষ্টকর কোনো অবস্থায় ওই দুই রুকন স্পর্শ করা ত্যাগ করেননি। এখানে মূল শিক্ষা হলো, সাহাবিরা নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর দেখা আমলকে খুব যত্নের সঙ্গে ধরে রাখতেন। হাদিসে দুই রুকনের নাম পরিষ্কার এসেছে: রুকনে ইয়ামানি এবং হাজরে আসওয়াদ। তবে এই বর্ণনা আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর নিজের আমল ও মনোভাব জানায়; এতে অন্যদের জন্য আলাদা কোনো কঠোর শর্তের ভাষা নেই। তাই আমরা বলতে পারি, তাওয়াফে রুকন স্পর্শের সুন্নাহ, হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ এবং নববী অনুসরণের প্রতি সাহাবিদের ভালোবাসা এখানে ফুটে উঠেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রুকনে ইয়ামানি ও হাজরে আসওয়াদ স্পর্শের বর্ণনা এসেছে।
- আবদুল্লাহ (রাঃ) নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর আমল দেখে তা ধরে রেখেছেন।
- সহজ ও কষ্টকর অবস্থার কথা তাঁর নিজের আমল হিসেবে এসেছে।
- সুন্নাহ অনুসরণে সাহাবিদের যত্ন এই বর্ণনায় স্পষ্ট।
