২৪/১১৯. অধ্যায়ঃ
হারামে কাক হত্যা করা
হারাম সীমানায় ক্ষতিকর প্রাণী: কোনগুলো হত্যা করা যাবে
সুনানে নাসাঈ : ২৮৯১
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ২৮৯১
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدَةَ، قَالَ: أَنْبَأَنَا حَمَّادٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامٌ وَهُوَ ابْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " خَمْسُ فَوَاسِقَ يُقْتَلْنَ فِي الْحَرَمِ: الْعَقْرَبُ، وَالْفَأْرَةُ، وَالْغُرَابُ، وَالْكَلْبُ الْعَقُورُ، وَالْحِدَأَةُ "
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: পাঁচ প্রকার ক্ষতিকর প্রাণী হারাম সীমানার মধ্যে হত্যা করা যাবে- বিচ্ছু, ইঁদুর, কাক, দংশনকারী কুকুর এবং চিল।
সুনানে নাসাঈ হাদিস ২৮৯১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, পাঁচ প্রকার ক্ষতিকর প্রাণী হারাম সীমানার মধ্যে হত্যা করা যাবে। তালিকাটি হলো বিচ্ছু, ইঁদুর, কাক, দংশনকারী কুকুর এবং চিল। এখানে “হারাম সীমানার মধ্যে” কথাটি মূল। কারণ মক্কার হারাম এলাকা সম্মানিত, সেখানে সাধারণভাবে অনেক বিধান কঠোর। কিন্তু এই হাদিস দেখায়, ক্ষতিকর প্রাণী থেকে নিরাপত্তার জন্য নির্দিষ্ট ছাড় রয়েছে। তাই কেউ যদি হজ বা উমরায় গিয়ে হারামে বিচ্ছু, ইঁদুর বা দংশনকারী কুকুরের মতো ক্ষতিকর প্রাণীর ব্যাপারে জানতে চান, এই বর্ণনা তা পরিষ্কার করে। তবে হাদিসের তালিকার বাইরে অতিরিক্ত প্রাণী যোগ করে বিধান দেওয়া উচিত নয়। মূল শিক্ষা হলো—হারামের সম্মান আছে, কিন্তু মানুষের ক্ষতি ঠেকানোও বিবেচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হারাম সীমানার মধ্যেও পাঁচ ক্ষতিকর প্রাণী হত্যার অনুমতি আছে।
- বিচ্ছু, ইঁদুর, কাক, দংশনকারী কুকুর ও চিলের নাম এসেছে।
- হারামের সম্মান বজায় রেখেও নিরাপত্তার দিক দেখা হয়েছে।
- বিধান বুঝতে হাদিসে থাকা নির্দিষ্ট তালিকা অনুসরণ করা দরকার।
