২৪/১১৩. অধ্যায়ঃ
হারামে যে সকল প্রাণী হত্যা করা যায়
হারামে ক্ষতিকর প্রাণী হত্যার বিধান: পাঁচ ফাওয়াসিক প্রাণীর হাদিস
সুনানে নাসাঈ : ২৮৮১
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ২৮৮১
أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَنْبَأَنَا وَكِيعٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: " خَمْسُ فَوَاسِقَ يُقْتَلْنَ فِي الْحِلِّ وَالْحَرَمِ: الْغُرَابُ، وَالْحِدَأَةُ، وَالْكَلْبُ الْعَقُورُ، وَالْعَقْرَبُ، وَالْفَأْرَةُ "
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
হিশাম ইবন উরওয়া (রহঃ) তার পিতা হতে, তিনি আয়িশা (রাঃ) সূত্রে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে বর্ণনা করেন। তিনি (ﷺ) বলেছেন: পাঁচ প্রকার কষ্টদায়ক প্রাণীকে হারামের ভিতরে ও বাহিরে হত্যা করা যায় : কাক, চিল, দংশনকারী কুকুর, বিচ্ছু এবং ইঁদুর।
সুনানে নাসাঈ হাদিস ২৮৮১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) পাঁচ ধরনের কষ্টদায়ক প্রাণীর কথা বলেছেন, যেগুলোকে হারামের ভিতরে ও বাইরে হত্যা করা যায়। এখানে মূল বিষয় হলো ক্ষতিকর প্রাণী থেকে মানুষের নিরাপত্তা। হাদিসে কাক, চিল, দংশনকারী কুকুর, বিচ্ছু ও ইঁদুরের নাম এসেছে। হারাম এলাকা সাধারণভাবে সম্মানিত ও নিরাপদ স্থান, কিন্তু এই হাদিস জানায় যে ক্ষতি ঠেকানোর জন্য কিছু প্রাণীর ক্ষেত্রে আলাদা ছাড় আছে। তাই বিষয়টি শুধু প্রাণী হত্যা নয়; বরং অনিষ্ট থেকে বাঁচার বিধান। হজ ও উমরার সময় কেউ এমন প্রাণীর ক্ষতির আশঙ্কা করলে এই হাদিসের শিক্ষা বুঝতে পারে। এখানে তালিকাটি স্পষ্ট, তাই ব্যাখ্যাতেও একই তালিকার বাইরে কোনো দাবি করা ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ক্ষতিকর প্রাণী থেকে বাঁচা শরিয়তে গুরুত্ব পেয়েছে।
- হারাম এলাকার সম্মান আছে, তবে ক্ষতি ঠেকানোর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ছাড় আছে।
- হাদিসে নাম আসা প্রাণীগুলোর বিধান আলাদা করে বোঝানো হয়েছে।
- বিধান বুঝতে হলে হাদিসের নির্দিষ্ট শব্দ ও তালিকা মেনে চলা জরুরি।
