২৪/৯১. অধ্যায়ঃ
(পূর্বক্তের) এ ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
মুহরিম ব্যক্তির বিবাহ, প্রস্তাব ও বিবাহ দেওয়ার বিধান
সুনানে নাসাঈ : ২৮৪২
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ২৮৪২
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ نُبَيْهِ بْنِ وَهْبٍ، أَنَّ أَبَانَ بْنَ عُثْمَانَ، قَالَ: سَمِعْتُ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا يَنْكِحُ الْمُحْرِمُ، وَلَا يَخْطُبُ، وَلَا يُنْكِحُ»
আবান ইবন উসমান (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবান ইবন উসমান (রাঃ) বলেন, আমি উসমান ইবন আফফান (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : মুহরিম বিবাহ করবে না, বিবাহের প্রস্তাব পাঠাবে না এবং কাউকে বিবাহও দেবে না।
সুনানে নাসাঈ হাদিস ২৮৪২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবান ইবনু উসমান (রাঃ) উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) থেকে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর কথা বর্ণনা করেছেন। হাদিসের মূল কথা খুব স্পষ্ট: মুহরিম ব্যক্তি নিজে বিবাহ করবে না, অন্যের বিবাহ দেবে না এবং বিবাহের প্রস্তাবও পাঠাবে না। এখানে মূল বিষয় হলো ইহরাম অবস্থার মর্যাদা। হজ্জ বা উমরার ইহরাম শুধু পোশাকের নাম নয়; এর সাথে কিছু কাজ থেকে বিরত থাকার নির্দেশও জড়িত। তাই “মুহরিম বিবাহ করবে কি না”, “ইহরামে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া যাবে কি না”—এ ধরনের প্রশ্নের সহজ উত্তর এই হাদিসে পাওয়া যায়। ভাষা ছোট, কিন্তু শিক্ষা পরিষ্কার। ইহরাম অবস্থায় মানুষকে ইবাদতের দিকে মনোযোগী থাকতে বলা হয়েছে এবং বিবাহের লেনদেন থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুহরিম ব্যক্তি নিজে বিবাহ করবে না।
- ইহরাম অবস্থায় বিবাহের প্রস্তাব পাঠানো নিষেধ করা হয়েছে।
- মুহরিম ব্যক্তি অন্যের বিবাহ সম্পন্ন করিয়ে দেবে না।
