২৪/৭৯. অধ্যায়ঃ
মুহরিমের জন্য যে শিকার করা পশুর গোশত আহার করা অবৈধ
ইহরামে বন্য গাধা উপহার: নবী صلى الله عليه وسلم-এর সতর্ক আমল
সুনানে নাসাঈ : ২৮২৩
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ২৮২৩
أَخْبَرَنَا يُوسُفُ بْنُ حَمَّادٍ الْمَعْنِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ حَبِيبٍ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ الْحَكَمِ، وَحَبِيبٌ وَهُوَ ابْنُ أَبِي ثَابِتٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ الصَّعْبَ بْنَ جَثَّامَةَ، أَهْدَى لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِمَارًا، وَهُوَ مُحْرِمٌ «فَرَدَّهُ عَلَيْهِ»
ইবন আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
সাব ইবন জাস্সামা (রাঃ) নবী (ﷺ)-কে একটি গাধা উপহার দিলেন, তখন তিনি মুহরিম ছিলেন। তাই তিনি (ﷺ) তা ফেরত দিলেন।
সুনানে নাসাঈ হাদিস ২৮২৩-এর সারসংক্ষেপ
কোর টপিক: ইহরাম শিকার। এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে বলা হয়েছে, সাব ইবন জাস্সামা (রাঃ) নবী صلى الله عليه وسلم-কে একটি গাধা উপহার দেন। তখন নবী صلى الله عليه وسلم মুহরিম ছিলেন। তাই তিনি صلى الله عليه وسلم তা ফেরত দেন। হাদিসটি ছোট হলেও এর শিক্ষা গভীর। ইহরাম অবস্থায় শিকারের সঙ্গে যুক্ত কোনো বিষয় এলে নবী صلى الله عليه وسلم তা গ্রহণ করেননি। এখানে “মুহরিম অবস্থায় বন্য গাধা” এবং “ইহরামে শিকারের উপহার” বিষয়ে সরাসরি দিকনির্দেশনা আছে। এই বর্ণনায় আলাদা কোনো দীর্ঘ ব্যাখ্যা নেই; তাই আমাদেরও মূল কথাতেই থাকতে হবে—ইহরামের সময় শিকারের ব্যাপারে সতর্কতা। ইবাদতের পোশাক ও নিয়ত নেওয়ার পর মানুষ শুধু বাহ্যিকভাবে নয়, নিজের গ্রহণ-বর্জনেও আল্লাহর বিধানকে গুরুত্ব দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুহরিম অবস্থায় নবী صلى الله عليه وسلم শিকারের উপহার গ্রহণ করেননি।
- ইহরামের সময় শিকার-সংক্রান্ত বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা দরকার।
- সংক্ষিপ্ত হাদিসও বড় নৈতিক শিক্ষা দিতে পারে।
- ইবাদতের অবস্থায় নিজের গ্রহণের বিষয়েও হিসাব রাখা উচিত।
