২৪/৭২. অধ্যায়ঃ
কুরবানীর জন্তুকে কিলাদা পরানোর মাধ্যমে কি ইহ্রাম বাঁধা ওয়াজিব হয়ে যায়?
হাদয়ির কিলাদা ও মুহরিমের মতো পরিহার না করা
সুনানে আন-নাসায়ী : ২৭৯৪
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৭৯৪
أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَقُتَيْبَةُ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «كُنْتُ أَفْتِلُ قَلَائِدَ هَدْيِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، ثُمَّ لَا يَجْتَنِبُ شَيْئًا مِمَّا يَجْتَنِبُهُ الْمُحْرِمُ»
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর হাদয়ির কিলাদা তৈরি করে দিতাম। তারপর তিনি (ﷺ) মুহরিম ব্যক্তি যা পরিহার করে, তা কোনো কিছুই পরিহার করতেন না।
[১] অর্থাৎ তিনি মুহরিম ব্যক্তির ন্যায় নিষেধাজ্ঞা পালন করতেন না।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৭৯৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর হাদয়ির কিলাদা তৈরি করে দিতেন। তারপর রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) মুহরিম ব্যক্তি যা পরিহার করে, তার কোনো কিছুই পরিহার করতেন না। এটি হাদয়ি পাঠানো এবং মুহরিমের অবস্থার মধ্যে পার্থক্য বোঝানোর মতো একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা। যারা “মুহরিমের বিধান”, “হাদয়ির কিলাদা” বা “কুরবানীর পশুর কিলাদা” বিষয়ে জানতে চান, তারা এই হাদিস থেকে মূল বক্তব্য সহজে ধরতে পারেন। তবে এখানে সব অবস্থার বিস্তারিত আলোচনা নেই। তাই ব্যাখ্যায় শুধু বলা যায়, এই বর্ণনায় কিলাদা তৈরি করার পরও রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) মুহরিমের মতো পরিহার করেননি। পাঠক হিসেবে আমাদের জন্য সতর্কতা হলো, হাদিসে যে কাজ ও যে শব্দ এসেছে, ব্যাখ্যায় ঠিক সেই সীমা বজায় রাখা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কিলাদা তৈরি করা হয়েছে, কিন্তু মুহরিমের মতো পরিহার করা হয়নি।
- হাদয়ি পাঠানোর কাজকে ইহরামের অবস্থার সঙ্গে মেলানো হয়নি।
- আয়িশা (রাঃ)-এর বর্ণনা বিষয়টি সহজ করে।
- হাদিসের বক্তব্যে যতটুকু আছে, ততটুকুই বলা নিরাপদ।
