২৪/৪৯. অধ্যায়ঃ
হাজ্জে ক্বিরান
তামাত্তু হজ্জ ও সুন্নাত: আলী (রাঃ)-এর দৃঢ় শিক্ষা
সুনানে আন-নাসায়ী : ২৭২৩
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৭২৩
أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَنْبَأَنَا أَبُو عَامِرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ الْحَكَمِ، قَالَ: قَالَ سَمِعْتُ عَلِيَّ بْنَ حُسَيْنٍ، يُحَدِّثُ عَنْ مَرْوَانَ، أَنَّ عُثْمَانَ نَهَى عَنِ الْمُتْعَةِ، وَأَنْ يَجْمَعَ الرَّجُلُ بَيْنَ الْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ، فَقَالَ عَلِيٌّ: «لَبَّيْكَ بِحَجَّةٍ وَعُمْرَةٍ مَعًا»، فَقَالَ عُثْمَانُ: أَتَفْعَلُهَا، وَأَنَا أَنْهَى عَنْهَا، فَقَالَ عَلِيٌّ: «لَمْ أَكُنْ لِأَدَعَ سُنَّةَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِأَحَدٍ مِنَ النَّاسِ»
মারওয়ান (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
মারওয়ান (রাঃ) বর্ণনা করেন, উসমান (রাঃ) তামাত্তু হজ্জে ছিলেন এবং কোনো এক ব্যক্তির জন্য হজ্জ ও উমরা একত্র করতে নিষেধ করলেন। তখন আলী (রাঃ) বললেন: আমি হজ্জ ও উমরার জন্য একসঙ্গে [নিয়্যাত] করছি: লাব্বায়ক। উসমান (রাঃ) বললেন: আমি তা [হজ্জ ও উমরার ইহরাম একসঙ্গে করা] নিষেধ করা সত্ত্বেও কি তুমি করছো? আলী (রাঃ) বললেন: কোনো লোকের কথায় আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সুন্নাত পরিত্যাগ করতে পারি না।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৭২৩-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় তামাত্তু হজ্জ, হজ্জ ও উমরা একত্র করা এবং সুন্নাতের অনুসরণ—এই তিনটি বিষয় একসাথে এসেছে। উসমান (রাঃ) তামাত্তু হজ্জ এবং হজ্জ-উমরা একসাথে করাকে নিষেধ করেছিলেন। তখন আলী (রাঃ) স্পষ্টভাবে বলেন, তিনি হজ্জ ও উমরার জন্য একসঙ্গে লাব্বায়াক বলছেন। উসমান (রাঃ) প্রশ্ন করলে আলী (রাঃ) বলেন, তিনি কোনো মানুষের কথায় রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর সুন্নাত ছাড়বেন না। হাদিসের ভাষা সংক্ষিপ্ত, কিন্তু শিক্ষা খুব পরিষ্কার: ইবাদতে নবী صلى الله عليه وسلم-এর সুন্নাত জানা থাকলে সেটিই মুমিনের জন্য বড় দিকনির্দেশনা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হজ্জ ও উমরার নিয়ত একসাথে করার বিষয়টি সাহাবীদের আলোচনায় ছিল।
- আলী (রাঃ) সুন্নাতকে মানুষের ব্যক্তিগত মতের ওপর অগ্রাধিকার দিয়েছেন।
- ইবাদতের বিষয়ে দলিল জানা ও তা মানা গুরুত্বপূর্ণ।
