২৪/৪৯. অধ্যায়ঃ
হাজ্জে ক্বিরান
রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর সুন্নাত: হজ্জ ও উমরার তালবিয়াহ একসাথে
সুনানে নাসাঈ : ২৭২২
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ২৭২২
أَخْبَرَنِي عِمْرَانُ بْنُ يَزِيدَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عِيسَى وَهُوَ ابْنُ يُونُسَ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ، عَنْ مُسْلِمٍ الْبَطِينِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ حُسَيْنٍ، عَنْ مَرْوَانَ بْنِ الْحَكَمِ، قَالَ: كُنْتُ جَالِسًا عِنْدَ عُثْمَانَ فَسَمِعَ عَلِيًّا يُلَبِّي بِعُمْرَةٍ، وَحَجَّةٍ، فَقَالَ: أَلَمْ نَكُنْ نُنْهَى عَنْ هَذَا، قَالَ: بَلَى، وَلَكِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «يُلَبِّي بِهِمَا جَمِيعًا»، فَلَمْ أَدَعْ قَوْلَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، لِقَوْلِكَ
মারওয়ান ইব্ন হাকাম (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
[একদিন] আমি উসমান (রাঃ)-এর নিকট বসা ছিলাম। তখন তিনি আলী (রাঃ)-কে [এক সঙ্গে] হজ্জ এবং উমরার তালবিয়া পাঠ করতে শুনলেন। তিনি (উসমান (রাঃ)) বললেন: হ্যাঁ, আমি কি তোমাকে এমনটা করতে নিষেধ করিনি। তিনি (আলী (রাঃ)) বললেন: হ্যাঁ, তবে আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে এ দুয়ের জন্য একসাথে তালবিয়া পাঠ করতে শুনেছি। অতএব আমি তোমার কথায় রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সুন্নাত পরিত্যাগ করতে পারি না।
সুনানে নাসাঈ হাদিস ২৭২২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আলী (রাঃ)-এর দৃঢ় অবস্থান দেখা যায়। তিনি হজ্জ ও উমরার তালবিয়াহ একসাথে পাঠ করছিলেন। উসমান (রাঃ) তাঁকে স্মরণ করিয়ে দিলেন যে এ কাজ থেকে তাঁকে নিষেধ করা হয়েছিল। আলী (রাঃ) উত্তরে বললেন, তিনি রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-কে দুটির জন্য একসাথে তালবিয়াহ পড়তে শুনেছেন। তাই তিনি কারও কথার কারণে রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর সুন্নাত ছেড়ে দিতে পারেন না। এখানে মূল শিক্ষা হলো, কিরান হজ্জ বা হজ্জ ও উমরা একসাথে করার বিষয়ে সাহাবীদের মাঝে আলোচনা থাকলেও আলী (রাঃ) নিজের আমল নবী صلى الله عليه وسلم-এর শুনে পাওয়া কথার ওপর দাঁড় করিয়েছেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর সুন্নাত জানা থাকলে তা সম্মানের সঙ্গে অনুসরণ করা উচিত।
- হজ্জ ও উমরার তালবিয়াহ একসাথে পড়ার পক্ষে সাহাবীর সরাসরি সাক্ষ্য আছে।
- মতভেদ হলেও কথাবার্তা দলিলভিত্তিক হওয়া ভালো।
