২৪/৪৮. অধ্যায়ঃ
হাজ্জে ইফরাদ
হজ্জ না উমরা: ইহরামের ধরন বেছে নেওয়ার হাদিস
সুনানে আন-নাসায়ী : ২৭১৭
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৭১৭
أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَبِيبِ بْنِ عَرَبِيٍّ، عَنْ حَمَّادٍ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، مُوَافِينَ لِهِلَالِ ذِي الْحِجَّةِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ شَاءَ أَنْ يُهِلَّ بِحَجٍّ فَلْيُهِلَّ، وَمَنْ شَاءَ أَنْ يُهِلَّ بِعُمْرَةٍ فَلْيُهِلَّ بِعُمْرَةٍ»
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে যিলকদ মাস শেষে যিলহিজ্জার চাঁদ দেখে বের হলাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন : যে হজ্জের ইহরাম বাঁধতে চায়, সে যেন তা বেঁধে নেয়। আর যে উমরার ইহরাম বাঁধতে চায়, সে যেন উমরার ইহরামই বাঁধে।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৭১৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা রা. বলেন, তারা যিলকদ শেষে যিলহিজ্জার চাঁদ দেখে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর সঙ্গে বের হন। তখন রাসূল صلى الله عليه وسلم বলেন, যে হজ্জের ইহরাম বাঁধতে চায় সে হজ্জের ইহরাম বাঁধুক, আর যে উমরার ইহরাম বাঁধতে চায় সে উমরার ইহরাম বাঁধুক। এই বর্ণনার মূল শিক্ষা হলো, ওই সফরে ইহরামের ধরন বেছে নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। হাদিসটি হজ্জ ও উমরার নিয়ত, ইহরাম এবং সফরের শুরু বুঝতে সাহায্য করে। এখানে হজ্জের সব কাজ বা উমরার সব কাজ বিস্তারিত নেই। বরং ইহরামের ধরন নিয়ে একটি সরল নির্দেশনা আছে। তাই ব্যাখ্যায় একই সীমা রাখা উচিত। যারা হজ্জ-উমরার ইহরাম নিয়ে বাংলা হাদিস খোঁজেন, তাদের জন্য এটি প্রাসঙ্গিক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হজ্জের ইহরাম চাইলে হজ্জের নিয়ত করার কথা এসেছে।
- উমরার ইহরাম চাইলে উমরার নিয়ত করার কথা এসেছে।
- ইহরামের ধরন শুরুতেই স্পষ্ট করা গুরুত্বপূর্ণ।
- হজ্জ-উমরার আমলে নিয়তের দিকটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
