২৪/৪১. অধ্যায়ঃ
ইহ্রাম বাঁধার সময় সুগন্ধি ব্যবহারের বৈধতা
ইহরাম, হালাল হওয়া ও বায়তুল্লাহ জিয়ারতের আগে সুগন্ধি
সুনানে আন-নাসায়ী : ২৬৯১
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৬৯১
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَرْبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِيسَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «كُنْتُ أُطَيِّبُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، بِأَطْيَبِ مَا أَجِدُ لِحُرْمِهِ، وَلِحِلِّهِ وَحِينَ يُرِيدُ أَنْ يَزُورَ الْبَيْتَ»
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে সর্বোত্তম সুগন্ধি লাগাতাম তাঁর ইহরামের সময়, হালাল হওয়ার সময়; আর যখন তিনি বায়তুল্লাহর জিয়ারতের (তওয়াফের) ইচ্ছা করতেন এমন (সুগন্ধি) যা আমি সংগ্রহ করতে পারতাম।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৬৯১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) তিনটি সময়ের কথা বলেছেন। তিনি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে সর্বোত্তম সুগন্ধি লাগাতেন তাঁর ইহরামের সময়, হালাল হওয়ার সময় এবং যখন তিনি বায়তুল্লাহর জিয়ারতের অর্থাৎ তওয়াফের ইচ্ছা করতেন। তাই এই বর্ণনায় “ইহরামে সুগন্ধি”, “হালাল হওয়ার সময় সুগন্ধি” এবং “তওয়াফের আগে সুগন্ধি”—তিনটি বিষয় একসঙ্গে এসেছে। হাদিসটি হজের কাজগুলোর মাঝে সুগন্ধি ব্যবহারের সময় বুঝতে সাহায্য করে। তবে ব্যাখ্যায় হাদিসের বাইরে গিয়ে নতুন বিধান বানানো যাবে না। এখানে শুধু আয়িশা (রাঃ)-এর দেখা ও করা কাজের কথা আছে। সাধারণভাবে বলা যায়, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর প্রস্তুতি ছিল পরিষ্কার, সুন্দর এবং নির্দিষ্ট সময়ের সঙ্গে যুক্ত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইহরামের সময় উত্তম সুগন্ধি ব্যবহারের কথা এসেছে।
- হালাল হওয়ার সময়ও সুগন্ধি লাগানোর বর্ণনা আছে।
- বায়তুল্লাহ জিয়ারতের আগে সুগন্ধির কথা হাদিসে আছে।
- হজের কাজের সময়গুলো বুঝে আমল জানা দরকার।
