২৪/৪১. অধ্যায়ঃ
ইহ্রাম বাঁধার সময় সুগন্ধি ব্যবহারের বৈধতা
ইহরাম ও হালাল হওয়ার সময় সর্বোৎকৃষ্ট সুগন্ধি
সুনানে আন-নাসায়ী : ২৬৮৯
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৬৮৯
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قُلْتُ لِعَائِشَةَ بِأَيِّ شَيْءٍ طَيَّبْتِ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ قَالَتْ: «بِأَطْيَبِ، الطِّيبِ، عِنْدَ حُرْمِهِ وَحِلِّهِ»
উসমান ইব্ন উরওয়া (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি আয়িশা (রাঃ)-কে বলেছিলাম: আপনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে কোন প্রকারের সুগন্ধি লাগিয়েছিলেন? তিনি বললেন: সর্বোৎকৃষ্ট সুগন্ধি, তাঁর মুহরিম হওয়ার সময় এবং হালাল হওয়ার সময়।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৬৮৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে প্রশ্ন করা হয়েছে, আয়িশা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে কী ধরনের সুগন্ধি লাগিয়েছিলেন। তিনি উত্তর দিলেন, সর্বোৎকৃষ্ট সুগন্ধি—তাঁর মুহরিম হওয়ার সময় এবং হালাল হওয়ার সময়। হাদিসটি খুব সহজ, কিন্তু এতে দুটো বিষয় পরিষ্কার। এক, সুগন্ধির মান সম্পর্কে বলা হয়েছে “সর্বোৎকৃষ্ট”। দুই, সময় বলা হয়েছে ইহরামের সময় এবং হালাল হওয়ার সময়। তাই এই বর্ণনা থেকে ইহরামের আগে সুগন্ধি ব্যবহার এবং হালাল হওয়ার সময় সুগন্ধির বিষয়টি বোঝা যায়। তবে হাদিসে যতটুকু আছে, ব্যাখ্যাও ততটুকুর মধ্যে রাখা উচিত। এখানে কোনো আলাদা ফজিলত বা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি। বরং রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর আমলের একটি নির্দিষ্ট দিক জানানো হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর জন্য উত্তম সুগন্ধি ব্যবহার করা হতো।
- ইহরাম ও হালাল হওয়ার সময় সুগন্ধির বর্ণনা এসেছে।
- প্রশ্নের উত্তরে আয়িশা (রাঃ) সরাসরি তথ্য দিয়েছেন।
- হাদিস থেকে শিক্ষা নিতে হলে অতিরিক্ত দাবি এড়িয়ে চলা দরকার।
