২৪/১৬. অধ্যায়ঃ
হাজ্জের উদ্দেশে মাদীনাহ্ হতে নাবী (সাঃ)-এর বের হওয়ার সময়
ইহরাম ও হালাল হওয়া: কুরবানির পশু না থাকলে কী করা হয়
সুনানে আন-নাসায়ী : ২৬৫০
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৬৫০
أَخْبَرَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، عَنْ ابْنِ أَبِي زَائِدَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: أَخْبَرَتْنِي عَمْرَةُ، أَنَّهَا سَمِعَتْ عَائِشَةَ، تَقُولُ: «خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، لِخَمْسٍ بَقِينَ مِنْ ذِي الْقِعْدَةِ، لَا نُرَى إِلَّا الْحَجَّ حَتَّى إِذَا دَنَوْنَا مِنْ مَكَّةَ، أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ لَمْ يَكُنْ مَعَهُ هَدْيٌ إِذَا طَافَ بِالْبَيْتِ أَنْ يَحِلَّ»
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আয়িশা (রাঃ) বলেন, যিলকদ মাসের পাঁচদিন অবশিষ্ট থাকতে আমরা হজ্জের উদ্দেশ্যে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে বের হয়েছিলাম। হজ্জ ছাড়া আমাদের আর কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। আমরা যখন মক্কার নিকটবর্তী হলাম, তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আদেশ করলেন: যার সাথে কুরবানি পশু নেই, সে যেন বায়তুল্লাহর তওয়াফ সমাপ্ত করে হালাল হয়ে যায়।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৬৫০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) বলেন, তারা যিলকদ মাসের শেষ দিকে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর সঙ্গে হজ্জের উদ্দেশ্যে বের হন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল হজ্জ। মক্কার কাছে পৌঁছার পর রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) নির্দেশ দেন, যার সঙ্গে কুরবানির পশু নেই, সে বায়তুল্লাহর তাওয়াফ শেষ করে হালাল হয়ে যাবে। এই বর্ণনার মূল বিষয় ইহরাম, তাওয়াফ এবং হালাল হওয়া। এখানে কুরবানির পশু থাকা বা না থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য হিসেবে এসেছে। হাদিসের টেক্সটে শুধু এই নির্দেশের কথাই আছে; তাই ব্যাখ্যায় এটুকুই বলা উচিত যে, নির্দিষ্ট অবস্থায় নবী (صلى الله عليه وسلم) সাহাবিদের তাওয়াফের পর হালাল হতে বলেছেন। হজ্জের সব নিয়ম বা অন্য পদ্ধতি এই বর্ণনায় বিস্তারিত নেই।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তাঁদের উদ্দেশ্য হজ্জ ছিল—এ কথা আয়িশা (রাঃ) স্পষ্ট করেছেন।
- যার সঙ্গে কুরবানির পশু নেই, তাকে তাওয়াফ শেষে হালাল হতে বলা হয়েছে।
- হজ্জের কাজে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশ অনুসরণ করা সাহাবিদের মূল পন্থা ছিল।
- এই হাদিসে কুরবানির পশু থাকা বা না থাকার পার্থক্য দেখা যায়।
