২৩/৬৮. অধ্যায়ঃ
গোপনে দানকারী
কুরআন তিলাওয়াতের ফজিলত: সশব্দ ও নিঃশব্দ পাঠের শিক্ষা
সুনানে নাসাঈ : ২৫৬১
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ২৫৬১
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ بَحِيرِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، عَنْ كَثِيرِ بْنِ مُرَّةَ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «الْجَاهِرُ بِالْقُرْآنِ كَالْجَاهِرِ بِالصَّدَقَةِ، وَالْمُسِرُّ بِالْقُرْآنِ كَالْمُسِرِّ بِالصَّدَقَةِ»
উকবা ইব্ন আমির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: সশব্দে কুরআন পাঠকারী প্রকাশ্যে দানকারীর মতো আর নিঃশব্দে কুরআন পাঠকারী গোপনে দানকারীর মত।
সুনানে নাসাঈ হাদিস ২৫৬১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) কুরআন তিলাওয়াতকে দানের সঙ্গে সুন্দরভাবে তুলনা করেছেন। তিনি বলেছেন, সশব্দে কুরআন পাঠকারী প্রকাশ্যে দানকারীর মতো, আর নিঃশব্দে কুরআন পাঠকারী গোপনে দানকারীর মতো। অর্থাৎ কুরআন পাঠ—সশব্দে হোক বা নিঃশব্দে—উভয়ই মূল্যবান আমল। এখানে মূল শিক্ষা হলো, আমলের ধরন ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু উদ্দেশ্য হতে হবে আল্লাহর সন্তুষ্টি। কখনো সশব্দে কুরআন তিলাওয়াত অন্যকে শুনতে, শিখতে বা উৎসাহ পেতে সাহায্য করতে পারে। আবার নিঃশব্দে কুরআন পাঠ নিজের মনোযোগ ও একান্ত ইবাদতের জন্য ভালো হতে পারে। হাদিসটি কুরআন তিলাওয়াতের আদব, গোপন আমল এবং প্রকাশ্য ভালো কাজের মধ্যে সুন্দর ভারসাম্য শেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুরআন তিলাওয়াত সশব্দে ও নিঃশব্দে—দুইভাবেই ভালো আমল হতে পারে।
- প্রকাশ্য আমল ও গোপন আমল—দুটিরই আলাদা সৌন্দর্য আছে।
- আমলের মূল্য শুধু বাহ্যিক ধরনে নয়, আল্লাহর জন্য করার মনোভাবেও।
- কুরআন পাঠকে নিয়মিত আমল হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
