১/১৫১. অধ্যায়ঃ

ইহরামের গোসলে ঋতুমতির জন্যে বেনী খোলার আদেশ

হায়েজ অবস্থায় হজ্জ ও উমরা: আয়িশা (রাঃ)-এর হাদিসের শিক্ষা

সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ২৪২

أَخْبَرَنَا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الْأَعْلَى قَالَ: حَدَّثَنَا أَشْهَبُ، عَنْ مَالِكٍ، أَنَّ ابْنَ شِهَابٍ وَهِشَامَ بْنَ عُرْوَةَ، حَدَّثَاهُ عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَامَ حَجَّةِ الْوَدَاعِ، فَأَهْلَلْتُ بِالْعُمْرَةِ، فَقَدِمْتُ مَكَّةَ، وَأَنَا حَائِضٌ، فَلَمْ أَطُفْ بِالْبَيْتِ وَلَا بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ، فَشَكَوْتُ ذَلِكَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: «انْقُضِي رَأْسَكِ وَامْتَشِطِي، وَأَهِلِّي بِالْحَجِّ وَدَعِي الْعُمْرَةَ». فَفَعَلْتُ، فَلَمَّا قَضَيْنَا الْحَجَّ أَرْسَلَنِي مَعَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ إِلَى التَّنْعِيمِ، فَاعْتَمَرْتُ فَقَالَ: «هَذِهِ مَكَانُ عُمْرَتِكِ» قَالَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ: هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ لَمْ يَرْوِهِ أَحَدٌ إِلَّا أَشْهَبُ

আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমরা বিদায় হজ্জের বছর রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে বের হলাম, তারপর আমি উমরার ইহরাম বাঁধলাম। আর আমি হায়জ অবস্থায় মক্কায় আসলাম। ফলে আমি কাবা ঘরের এবং সাফা ও মারওয়ার তাওয়াফ করতে পারলাম না। আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট এ ব্যাপারে মনঃকষ্টের কথা জানালাম। তিনি বললেন, তুমি তোমার মাথার চুল খুলে ফেল এবং তাতে চিরুনি ব্যবহার কর, আর উমরার নিয়ত ছেড়ে হজ্জের ইহরাম বাঁধ। আমি তাই করলাম। তারপর যখন আমার হজ্জের কাজ শেষ করলাম, তিনি আমাকে আবদুর রহমান ইবনে আবু বকর (রাঃ)-এর সঙ্গে তানইমে পাঠালেন। তখন আমি উমরাহ করলাম। এটা তোমার ঐ উমরার পরিবর্তে। আবু আবদুর রহমান (ইমাম নাসাঈ) বলেন, এ হাদিসটি গরীব; কারণ মালিক হতে আশহাব ভিন্ন আর কেউ তা বর্ণনা করেননি।

[১] মক্কার অদূরে হারামের বাইরে একটি স্থানের নাম, যেখান থেকে ইহরাম বাঁধা হয়ে থাকে।

সুনানে নাসাঈ হাদিস ২৪২-এর সারসংক্ষেপ

মূল বিষয়: হায়েজ ও হজ্জ। এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) বিদায় হজ্জের সফরে উমরার ইহরাম বাঁধেন, কিন্তু মক্কায় পৌঁছে হায়েজ অবস্থায় থাকায় কাবা ঘর এবং সাফা-মারওয়ার তাওয়াফ করতে পারেননি। তিনি মনঃকষ্টের কথা রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে জানান। তখন তাঁকে মাথার চুল খুলে চিরুনি করতে, উমরার নিয়ত ছেড়ে হজ্জের ইহরাম বাঁধতে বলা হয়। পরে হজ্জের কাজ শেষ হলে তাঁকে তানঈমে পাঠানো হয় এবং তিনি উমরা করেন। তাই এই হাদিসে হায়েজ অবস্থায় হজ্জ ও উমরার করণীয় সম্পর্কে সরাসরি একটি ঘটনা এসেছে। এখানে বাড়তি ফিকহি সিদ্ধান্ত নয়, বরং বর্ণিত ঘটনাটিই মূল শিক্ষা।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • হায়েজের কারণে তাওয়াফ করতে না পারার বিষয়টি এই হাদিসে স্পষ্ট এসেছে।
  • সমস্যা হলে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে প্রশ্ন করার সুন্দর দৃষ্টান্ত আছে।
  • হজ্জ শেষ হওয়ার পর আয়িশা (রাঃ)-এর জন্য উমরার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন