২২/৭৭. অধ্যায়ঃ

সিয়ামে হাস-বৃদ্ধি করা এবং এ বিষয়ে 'আবদুল্লাহ ইবনু 'আম্র (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের বর্ণনাকারীদের বর্ণনায় পার্থক্য

নফল রোজার ধাপে ধাপে নিয়ম: এক দিন পরপর সাওম

সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৩৯৫

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْأَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْعَلَاءِ، عَنْ مُطَرِّفٍ، عَنْ ابْنِ أَبِي رَبِيعَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ: ذَكَرْتُ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الصَّوْمَ، فَقَالَ: «صُمْ مِنْ كُلِّ عَشَرَةِ أَيَّامٍ يَوْمًا، وَلَكَ أَجْرُ تِلْكَ التِّسْعَةِ»، فَقُلْتُ: إِنِّي أَقْوَى مِنْ ذَلِكَ، قَالَ: «صُمْ مِنْ كُلِّ تِسْعَةِ أَيَّامٍ يَوْمًا، وَلَكَ أَجْرُ تِلْكَ الثَّمَانِيَةِ»، قُلْتُ: إِنِّي أَقْوَى مَنْ ذَلِكَ، قَالَ: «فَصُمْ مِنْ كُلِّ ثَمَانِيَةِ أَيَّامٍ يَوْمًا، وَلَكَ أَجْرُ تِلْكَ السَّبْعَةِ»، قُلْتُ: إِنِّي أَقْوَى مِنْ ذَلِكَ، قَالَ: فَلَمْ يَزَلْ حَتَّى قَالَ: «صُمْ يَوْمًا وَأَفْطِرْ يَوْمًا»

আব্দুল্লাহ ইব্‌ন আমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমি নবী (ﷺ)-এর কাছে সাওমের বিষয়টি উল্লেখ করলে তিনি বললেন, তুমি প্রতি দশদিনে একদিন সাওম পালন কর তাহলে বাকী নয় দিনের সাওয়াবও তুমি লাভ করবে। আমি বললাম, আমি তো এর চেয়েও অধিক সামর্থ্য রাখি। তিনি (ﷺ) বললেন, তাহলে তুমি প্রতি নয়দিনে একদিন সাওম পালন কর তাহলে বাকী আট দিনের সাওয়াবও তোমাকে দেয়া হবে। আমি বললাম, আমি তো এর চেয়েও অধিক সামর্থ্য রাখি। তিনি (ﷺ) বললেন, তাহলে তুমি প্রতি আটদিনে একদিন সাওম পালন কর তাহলে বাকী সাতদিনের সাওয়াবও পাবে। আমি বললাম, আমি তো এর চেয়েও অধিক সামর্থ্য রাখি। তিনি (ﷺ) বলেন, আমি এ রকম বলতেই থাকলাম, শেষ পর্যন্ত তিনি (ﷺ) বললেন, তুমি একদিন সাওম পালন কর আর একদিন সাওম ত্যাগ কর।

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৩৯৫-এর সারসংক্ষেপ

আবদুল্লাহ ইবন আমর (রাঃ) নফল রোজার বিষয়ে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে আরও বেশি আমলের সুযোগ চান। প্রথমে প্রতি দশ দিনে এক দিন রোজা রাখতে বলা হয় এবং বাকি নয় দিনের সওয়াবের কথা বলা হয়। এরপর প্রতি নয় দিনে এক দিন, তারপর প্রতি আট দিনে এক দিন সাওমের কথা আসে। তিনি বারবার নিজের বেশি সামর্থ্যের কথা জানাতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেন, এক দিন রোজা রাখো এবং এক দিন বিরতি দাও। এই বর্ণনা দেখায়, নফল রোজা ধীরে ধীরে বাড়ানো হলেও শেষ পর্যন্ত একটি ভারসাম্যপূর্ণ সীমা রাখা হয়েছে। হাদিসের বাইরে গিয়ে সওয়াবের হিসাব নতুনভাবে ব্যাখ্যা না করে, বর্ণনায় যে ধাপগুলো আছে সেগুলোই গ্রহণ করা উচিত।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নফল রোজার পরিমাণ ধাপে ধাপে বাড়ানোর নির্দেশ এসেছে।
  • প্রতিটি ধাপে অবশিষ্ট দিনের সওয়াবের কথা বলা হয়েছে।
  • শেষ নির্দেশ হলো এক দিন রোজা ও এক দিন বিরতি।
  • নিজের সামর্থ্য থাকলেও একটি ভারসাম্যপূর্ণ সীমা রাখা হয়েছে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন