২২/৭১. অধ্যায়ঃ
এ বিষয়ে 'আত্বা (রহিমাহুল্লাহ)-এর রিওয়ায়াতে ইখতিলাফ
সারা জীবন রোজা নয়: না সাওম, না ইফতারের কঠোর বাণী
সুনানে আন-নাসায়ী : ২৩৭৪
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৩৭৪
حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ مُسَاوِرٍ، عَنْ الْوَلِيدِ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَطَاءٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، ح وَأَنْبَأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنِي الْوَلِيدُ، عَنْ الْأَوْزَاعِيِّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَطَاءٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ صَامَ الْأَبَدَ فَلَا صَامَ وَلَا أَفْطَرَ»
আব্দুল্লাহ ইব্ন উমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি জীবনভর সাওম পালন করে তার সাওম পালন হবে না এবং ইফতারও গ্রহণযোগ্য হবে না।
[১] কেননা দু’ঈদ এবং আইয়াম-ই তাশরীকে সাওম (রোযা) পালন করা হারাম।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৩৭৪-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) জীবনভর অবিরাম সাওম পালন সম্পর্কে বলেছেন, এমন ব্যক্তি সাওমও করল না এবং ইফতারও করল না। কথাটি বিরতিহীন রোজার অসঙ্গতি খুব জোরালোভাবে তুলে ধরে। এর অর্থ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে হাদিসের বাইরে নির্দিষ্ট আইনি সিদ্ধান্ত বা শাস্তি যোগ করা ঠিক হবে না। সরাসরি পাঠ থেকে বোঝা যায়, সারাক্ষণ সাওমে থাকা নবীজির প্রশংসিত পদ্ধতি হিসেবে এখানে উপস্থাপিত হয়নি। বরং এমন আমলকে একটি ভারসাম্যহীন অবস্থার ভাষায় বলা হয়েছে—না সাওম, না ইফতার। যারা বেশি নফল রোজা রাখতে চান, তাদের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা যে, ইবাদতের সংখ্যার চেয়ে নববী নির্দেশ মেনে চলা জরুরি। এই হাদিসে বিকল্প সময়সূচি বলা হয়নি, তাই ব্যাখ্যা মূল সতর্কবার্তার মধ্যেই সীমিত রাখা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জীবনভর অবিরাম সাওমকে হাদিসে গ্রহণযোগ্য আদর্শ বলা হয়নি।
- ‘না সাওম, না ইফতার’ কথাটি কাজটির অসঙ্গতি স্পষ্ট করে।
- ইবাদতে নববী সীমা ও পদ্ধতির প্রতি যত্নশীল থাকা দরকার।
