২২/৭০. অধ্যায়ঃ

"নাবী (সাঃ)-এর সওম” (তাঁর জন্য আমার মাতা-পিতা উৎসর্গিত হোক)- এ সম্পর্কিত হাদীসের বর্ণনা রাবীদের বৈপরীত্য

সোমবার ও বৃহস্পতিবারের রোজা: রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর নিয়মিত সুন্নত

সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৩৬১

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دَاوُدَ، قَالَ: أَخْبَرَنِي ثَوْرٌ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، عَنْ رَبِيعَةَ الْجُرَشِيِّ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَتَحَرَّى يَوْمَ الِاثْنَيْنِ وَالْخَمِيسِ»

আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সবসময় সোমবার এবং বৃহস্পতিবার সাওম পালন করতেন।

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৩৬১-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসের মূল বিষয় হলো সোমবার ও বৃহস্পতিবারের রোজা। আয়িশা (রাঃ) জানিয়েছেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) এই দুই দিনে সাওম পালনের প্রতি নিয়মিত যত্ন নিতেন। বর্ণনাটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এতে একটি পরিষ্কার আমলের ছবি পাওয়া যায়। নফল রোজা শুধু হঠাৎ করা কোনো কাজ নয়; নির্দিষ্ট দিন বেছে নিয়ম ধরে পালন করাও নবীজির আমল ছিল। যারা সপ্তাহে নফল সাওম রাখতে চান, তাদের কাছে সোমবার ও বৃহস্পতিবারের রোজা পরিচিত একটি সুন্নত আমল। তবে হাদিসটি এখানে অতিরিক্ত কোনো ফজিলত, পুরস্কার বা কারণ উল্লেখ করেনি। তাই ব্যাখ্যার সীমা হলো—রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) এই দুই দিনের সাওমকে গুরুত্ব দিয়ে পালন করতেন। আমল করতে গেলে নিজের সামর্থ্য, স্বাস্থ্য ও ফরজ দায়িত্বের দিকে খেয়াল রেখে নিয়মিত হওয়ার চেষ্টা করা যায়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) সোমবার ও বৃহস্পতিবার সাওম পালনে যত্নবান ছিলেন।
  • নফল ইবাদতে নির্দিষ্ট দিন বেছে ধারাবাহিকতা রাখা যায়।
  • হাদিসে যে আমল এসেছে, সেটিই বাড়তি দাবি ছাড়া অনুসরণ করা উচিত।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন