২২/৭০. অধ্যায়ঃ
"নাবী (সাঃ)-এর সওম” (তাঁর জন্য আমার মাতা-পিতা উৎসর্গিত হোক)- এ সম্পর্কিত হাদীসের বর্ণনা রাবীদের বৈপরীত্য
সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখার নববী আমল
সুনানে আন-নাসায়ী : ২৩৬০
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৩৬০
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ، عَنْ بَقِيَّةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا بَحِيرٌ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، عَنْ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ، أَنَّ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَتَحَرَّى صِيَامَ الِاثْنَيْنِ وَالْخَمِيسِ»
জুবায়র ইব্ন নুফায়র (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আয়িশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সবসময় সোমবার এবং বৃহস্পতিবার সাওম পালন করাকে অধিক গুরুত্ব দিতেন।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৩৬০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) সোমবার ও বৃহস্পতিবার সাওম পালনের বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিতেন। তাই হাদিসটির মূল বিষয় সাপ্তাহিক নফল রোজা, বিশেষ করে সোমবার ও বৃহস্পতিবারের সাওম। “সোমবার বৃহস্পতিবার রোজা”, “সপ্তাহে দুই দিন নফল রোজা” এবং “নবীজির সোমবারের রোজা” এই বর্ণনার প্রধান সার্চ-ইনটেন্ট। এখানে “গুরুত্ব দিতেন” কথাটি দেখায়, তিনি এই দুই দিন বেছে সাওম রাখার চেষ্টা করতেন। তবে এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে কেন এই দুই দিন নির্বাচন করা হতো, কী পরিমাণ সওয়াব বা কোনো নির্দিষ্ট ফল—এসব ব্যাখ্যা নেই। তাই ব্যাখ্যায় শুধু তাঁর নিয়মিত আগ্রহ ও যত্নের কথাই বলা উচিত। বর্ণনাটি একজন মুসলিমকে সাপ্তাহিক নফল সাওমের দিন চিনতে সাহায্য করে, কিন্তু অতিরিক্ত দাবি যোগ করার সুযোগ দেয় না।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) সোমবারের সাওমে গুরুত্ব দিতেন।
- তিনি বৃহস্পতিবারের সাওমেও বিশেষ যত্ন নিতেন।
- এটি সাপ্তাহিক নফল সাওমের একটি স্পষ্ট বর্ণনা।
- হাদিসে সওয়াবের নির্দিষ্ট সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি।
