২২/৬৮. অধ্যায়ঃ

এ প্রসঙ্গে হাফসাহ্ (রাঃ);-এর হাদীস বর্ণনাকারীদের মধ্যে বর্ণনা পার্থক্যের উল্লেখ

ফজরের আগে রোজার নিয়ত: হাফসা (রা.)-এর বক্তব্য

সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৩৩৭

أَخْبَرَنِي زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عِيسَى، قَالَ: أَنْبَأَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، قَالَ: أَنْبَأَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، عَنْ حَمْزَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ حَفْصَةَ، قَالَتْ: «لَا صِيَامَ لِمَنْ لَمْ يُجْمِعْ قَبْلَ الْفَجْرِ»---[حكم الألباني] صحيح موقوف

হাফসা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

যে ব্যক্তি ফজরের পূর্বেই সাওমের নিয়ত না করে তার সাওম পালন হবে না।

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৩৩৭-এর সারসংক্ষেপ

এই সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় হাফসা (রা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি ফজরের আগে সাওমের নিয়ত করে না, তার সাওম পালন হবে না। বক্তব্যটির কেন্দ্র হলো “ফজরের আগে” সময়টি। অর্থাৎ রোজা শুরু হওয়ার আগেই সাওমের দৃঢ় সিদ্ধান্ত থাকতে হবে। শেষে বর্ণনাটিকে সহিহ মাওকুফ বলা হয়েছে, তাই এটি হাফসা (রা.)-এর বক্তব্য হিসেবে উপস্থাপিত। এখানে নিয়তের জন্য কোনো বিশেষ আরবি বাক্য, দোয়া বা উচ্চারণের কথা নেই। ফলে হাদিসের সরাসরি শিক্ষা হলো আগে থেকে রোজা রাখার ইচ্ছা স্থির করা। এই বর্ণনাকে নফল রোজার দিনের বেলার নিয়ত বা নফল রোজা ভাঙার ঘটনার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়। কারণ এখানে আলোচনার একমাত্র বিষয় ফজরের আগের নিয়ত এবং সাওম শুরুর আগে সিদ্ধান্ত নেওয়া।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • ফজরের আগে সাওমের নিয়ত করার কথা বলা হয়েছে।
  • বর্ণনাটি হাফসা (রা.)-এর বক্তব্য হিসেবে এসেছে।
  • নিয়তের কোনো নির্দিষ্ট উচ্চারণ এখানে নেই।
  • নফল রোজা ভাঙার বিষয় এই বর্ণনায় নেই।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন