২২/৬৬. অধ্যায়ঃ
রাতে সওমের নিয়্যাত না করলে পরবর্তী দিনের নাফল সওম পালন হবে কি?
আশুরার রোজা: খেয়ে ফেললে ও না খেলে কী করতে হবে
সুনানে আন-নাসায়ী : ২৩২১
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৩২১
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ يَزِيدَ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَلَمَةُ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لِرَجُلٍ أَذِّنْ يَوْمَ عَاشُورَاءَ: «مَنْ كَانَ أَكَلَ فَلْيُتِمَّ بَقِيَّةَ يَوْمِهِ، وَمَنْ لَمْ يَكُنْ أَكَلَ فَلْيَصُمْ»
সালামা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এক ব্যক্তিকে বলেছিলেন, তুমি ‘আশূরার দিন ঘোষণা করে দাও, যে ব্যক্তি খাবার খেয়ে ফেলেছে সে যেন দিনের বাকি অংশ পূর্ণ করে (না খেয়ে) আর যে ব্যক্তি এখনো কিছু খায়নি সে যেন সাওম পালন করে।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৩২১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় আশুরার রোজা। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم একজনকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, যেন আশুরার দিন মানুষের কাছে ঘোষণা করা হয়। ঘোষণায় দুই ধরনের মানুষের করণীয় আলাদা করে বলা হয়েছে। যে ব্যক্তি ইতিমধ্যে খাবার খেয়ে ফেলেছে, সে দিনের বাকি অংশ আর না খেয়ে পূর্ণ করবে। আর যে ব্যক্তি তখনও কিছু খায়নি, সে সাওম পালন করবে। এখানে “খেয়ে ফেলেছে” এবং “এখনো খায়নি”—এই দুই অবস্থাকে এক করা হয়নি। তাই হাদিসটি বুঝতে হলে নিজের অবস্থার সঙ্গে নির্দেশটি মিলিয়ে নিতে হবে। আশুরার রোজা নিয়ে এই বর্ণনার মূল শিক্ষা হলো, নবী صلى الله عليه وسلم-এর নির্দেশ পরিষ্কারভাবে পৌঁছে দেওয়া এবং দিনের বাকি সময় সম্পর্কে বলা করণীয় মানা। হাদিসে এর বাইরে অতিরিক্ত কোনো শর্ত, ফল বা প্রতিশ্রুতি উল্লেখ নেই।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আশুরার দিনে আগে খেয়ে ফেললে দিনের বাকি অংশ না খেয়ে পূর্ণ করার নির্দেশ আছে।
- যে ব্যক্তি তখনও কিছু খায়নি, তাকে সাওম পালনের কথা বলা হয়েছে।
- ভিন্ন অবস্থার মানুষের জন্য ভিন্ন করণীয় স্পষ্ট করা হয়েছে।
- দ্বীনের নির্দেশ মানুষের কাছে পরিষ্কারভাবে পৌঁছে দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
