২২/৫৮. অধ্যায়ঃ

এ প্রসঙ্গে হিশাম ইবনু 'উরওয়াহ্ (রহিমাহুল্লাহ)-এর বর্ণনাভেদের উল্লেখ

সফরে সাওম: রাখা ও ভাঙার মধ্যে বৈধ পছন্দ

সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৩০৭

أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ هِشَامٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ ابْنِ عَجْلَانَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: إِنَّ حَمْزَةَ سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَصُومُ فِي السَّفَرِ؟ فَقَالَ: «إِنْ شِئْتَ فَصُمْ، وَإِنْ شِئْتَ فَأَفْطِرْ»---[حكم الألباني] حسن صحيح

আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

হামজা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করলেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি সফর অবস্থায় সাওম পালন করব? তিনি (ﷺ) বললেন: ইচ্ছা হয় সাওম পালন কর আর যদি ইচ্ছা হয় ভঙ্গ করে ফেল।

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৩০৭-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে হামজা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর কাছে সফর অবস্থায় সাওম রাখার বিষয়ে জানতে চান। উত্তরে নবী صلى الله عليه وسلم বলেন, ইচ্ছা হলে সাওম পালন করো, আর ইচ্ছা হলে ভঙ্গ করে ফেলো। কথাটি সংক্ষিপ্ত হলেও মুসাফিরের রোজার বিষয়ে পরিষ্কার দিকনির্দেশনা দেয়। সফরে সাওম রাখা একেবারে নিষিদ্ধ বলা হয়নি। একই সঙ্গে সাওম ভেঙে দেওয়ার পথও বন্ধ করা হয়নি। ফলে ব্যক্তির সামনে দুইটি সুযোগ থাকে। হাদিসে ভ্রমণের দূরত্ব, কষ্টের মাত্রা বা অন্য কোনো বিস্তারিত শর্ত উল্লেখ নেই। তাই ব্যাখ্যার সময় অতিরিক্ত নিয়ম যোগ না করে মূল বক্তব্যেই থাকা দরকার। এই বর্ণনা আমাদের জানায়, সফরকালীন সাওমের ক্ষেত্রে রাখা ও ভাঙা—দুই সিদ্ধান্তকেই নবী صلى الله عليه وسلم অনুমতি দিয়েছেন। এই অনুমতি বর্ণনার কেন্দ্রীয় শিক্ষা হিসেবে এসেছে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • সফরে সাওম রাখা অনুমোদিত একটি সিদ্ধান্ত।
  • সফরে সাওম ভাঙারও সুযোগ রয়েছে।
  • হাদিসে মুসাফিরকে নিজের পছন্দের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন