২২/৫৮. অধ্যায়ঃ
এ প্রসঙ্গে হিশাম ইবনু 'উরওয়াহ্ (রহিমাহুল্লাহ)-এর বর্ণনাভেদের উল্লেখ
বেশি সাওম পালনকারী সফরে রোজা রাখবেন কি
সুনানে আন-নাসায়ী : ২৩০৬
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৩০৬
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، قَالَ: أَنْبَأَنَا ابْنُ الْقَاسِمِ، قَالَ: حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: إِنَّ حَمْزَةَ، قَالَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَصُومُ فِي السَّفَرِ؟ وَكَانَ كَثِيرَ الصِّيَامِ، فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنْ شِئْتَ فَصُمْ، وَإِنْ شِئْتَ فَأَفْطِرْ»
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
হামজা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি সফর অবস্থায় সাওম পালন করব? আর তিনি অধিক সাওম পালনকারী ছিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে বললেন: ইচ্ছা হলে সাওম পালন কর আর ইচ্ছা হলে সাওম ভঙ্গ কর।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৩০৬-এর সারসংক্ষেপ
হামজা (রাঃ) অধিক সাওম পালন করতেন। তিনি রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-কে জিজ্ঞেস করলেন, সফর অবস্থায় সাওম পালন করবেন কি না। নবী صلى الله عليه وسلم তাঁকে বলেন, ইচ্ছা হলে সাওম পালন করো, আর ইচ্ছা হলে সাওম ভঙ্গ করো। এই হাদিসে প্রশ্নকারীর বেশি সাওম রাখার অভ্যাস উল্লেখ করা হয়েছে, কিন্তু সেই অভ্যাসকে সফরে সাওম রাখার বাধ্যবাধকতা বানানো হয়নি। একইভাবে তাঁকে সাওম ভাঙতেই হবে—এ কথাও বলা হয়নি। সফরে রোজা রাখার নিয়ম এখানে সহজ ও ব্যক্তিনির্ভর। একজন বেশি সাওম পালনকারী নিজের জন্য রাখা উপযোগী মনে করলে রাখতে পারেন। আর ভাঙতে চাইলে তাও করতে পারেন। হাদিসের সীমার মধ্যে মূল শিক্ষা এতটুকুই: সফরে সাওমের বিষয়ে নবী صلى الله عليه وسلم দুইটি বৈধ বিকল্পের সুযোগ দিয়েছেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বেশি সাওম রাখার অভ্যাস সফরের ছাড় বাতিল করে না।
- সফরে ইচ্ছা হলে সাওম পালন করা যায়।
- ইচ্ছা হলে সফর অবস্থায় সাওম ভাঙা যায়।
