২২/৫৬. অধ্যায়ঃ
এ বিষয়ে হামযাহ্ ইবনু 'আম্ম (রাঃ)-এর হাদীসে সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (রহিমাহুল্লাহ) থেকে বর্ণনায় ইখতিলাফ
সফরে রোজা রাখার নিয়ম: সামর্থ্য ও ইচ্ছার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত
সুনানে নাসাঈ : ২৩০১
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ২৩০১
أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمِّي، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ ابْنِ إِسْحَقَ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ أَبِي أَنَسٍ، عَنْ حَنْظَلَةَ بْنِ عَلِيٍّ، عَنْ حَمْزَةَ، قَالَ: قُلْتُ: يَا نَبِيَّ اللَّهِ، إِنِّي رَجُلٌ أَسْرُدُ الصِّيَامَ أَفَأَصُومُ فِي السَّفَرِ؟ قَالَ: إِنْ شِئْتَ فَصُمْ، وَإِنْ شِئْتَ فَأَفْطِرْ "
হামযা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি বললাম, হে আল্লাহর নবী (ﷺ)! আমি বিরামহীন সাওম পালনকারী ব্যক্তি। আমি কি সফরকালীন অবস্থায়ও সাওম পালন করব? তিনি (ﷺ) বললেন, যদি তোমার ইচ্ছা হয় তবে পালন কর আর ইচ্ছা হলে ভেঙে ফেল।
সুনানে নাসাঈ হাদিস ২৩০১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো সফরে সাওম। হামজা (রাঃ) নিয়মিত ও বিরামহীন সাওম পালন করতেন। তাই তিনি জানতে চাইলেন, সফরের সময়ও কি সাওম চালিয়ে যাবেন? রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم তাঁর জন্য একটিমাত্র পথ বাধ্যতামূলক করেননি। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, ইচ্ছা হলে সাওম রাখা যাবে, আবার ইচ্ছা হলে ভেঙে দেওয়া যাবে। এখান থেকে বোঝা যায়, মুসাফিরের রোজার বিধানে সহজতা আছে। সফরে রোজা রাখার নিয়ম নিয়ে দ্বিধা হলে নিজের সামর্থ্য ও অবস্থার দিকে দেখা যায়। হাদিসে কষ্টের মাত্রা বা সফরের ধরন নিয়ে বাড়তি কোনো শর্ত বলা হয়নি। তাই ব্যাখ্যাও এতটুকুতেই সীমিত রাখা দরকার: একজন সক্ষম ও অভ্যস্ত সাওম পালনকারী সফরে চাইলে সাওম রাখতে পারেন, আর চাইলে তা ভেঙে দিতে পারেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সফর অবস্থায় সাওম রাখা ও ভাঙা—দুইটিরই সুযোগ রয়েছে।
- নিয়মিত সাওম পালনকারী হলেও সফরের ছাড় নেওয়া যায়।
- নিজের সামর্থ্য ও ইচ্ছা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।
