২২/৫৬. অধ্যায়ঃ
এ বিষয়ে হামযাহ্ ইবনু 'আম্ম (রাঃ)-এর হাদীসে সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (রহিমাহুল্লাহ) থেকে বর্ণনায় ইখতিলাফ
মুসাফিরের রোজা: পালন বা ভাঙার সহজ সুযোগ
সুনানে নাসাঈ : ২২৯৭
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ২২৯৭
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ أَبِي أَنَسٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ حَمْزَةَ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ: سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنِ الصَّوْمِ فِي السَّفَرِ؟ فَقَالَ: «إِنْ شِئْتَ أَنْ تَصُومَ فَصُمْ، وَإِنْ شِئْتَ أَنْ تُفْطِرَ فَأَفْطِرْ»
হামযা ইব্ন আমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে সফরকালীন অবস্থায় সাওম পালন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, “যদি তোমার সাওম পালন করতে ইচ্ছা হয় তবে পালন কর, আর যদি তোমার ভঙ্গ করতে ইচ্ছা হয় তবে ভঙ্গ কর।”
সুনানে নাসাঈ হাদিস ২২৯৭-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় হামজা ইবন আমর রাঃ রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-কে সফরকালীন সাওম সম্পর্কে প্রশ্ন করেন। নবী صلى الله عليه وسلم তাঁকে বলেন, ইচ্ছা হলে রোজা পালন কর এবং ইচ্ছা হলে ভেঙে দাও। এখানে উত্তরটি কোনো জটিল ভাষায় নয়; খুব সহজভাবে দুটি সুযোগ দেওয়া হয়েছে। সফরে রোজা রাখা একমাত্র বাধ্যতামূলক পছন্দ হিসেবে বলা হয়নি। একইভাবে রোজা ভাঙাকেও একমাত্র পথ বলা হয়নি। হাদিসের মূল বিষয় হলো মুসাফিরের জন্য সাওম ও ইফতারের সুযোগ। এতে ব্যক্তিগত পছন্দের জায়গা স্পষ্ট হয়েছে। তবে পছন্দের অর্থ এই নয় যে বর্ণনায় নেই এমন নিয়ম নিজের মতো করে বানানো যাবে। এই পাঠ যতটুকু বলেছে, ততটুকুই নিশ্চিতভাবে বলা উচিত। সফরে রোজা নিয়ে অন্যকে ছোট করা বা একটি অনুমোদিত পছন্দের কারণে নিন্দা করাও এই সহজ উত্তরের ভাবের সঙ্গে যায় না।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুসাফির চাইলে রোজা পালন করতে পারেন।
- মুসাফির চাইলে রোজা ভেঙে দিতে পারেন।
- হাদিসে দুটি পছন্দই সহজভাবে অনুমোদিত হয়েছে।
- অনুমোদিত পছন্দের কারণে অন্যকে অকারণে দোষ দেওয়া উচিত নয়।
