২২/৫৪. অধ্যায়ঃ

সফর অবস্থায় সওম পালন করা- এ বিষয়ে ইবনু 'আব্বাস (রাঃ)-এর হাদীসে বর্ণনায় পার্থক্য

মদিনা থেকে কুদাইদ পর্যন্ত রোজা রেখে পরে ইফতার

সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২২৮৮

أَخْبَرَنَا الْقَاسِمُ بْنُ زَكَرِيَّا، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَمْرٍو، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْثَرٌ، عَنْ الْعَلَاءِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ الْحَكَمِ بْنِ عُتَيْبَةَ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: «صَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنَ الْمَدِينَةِ حَتَّى أَتَى قُدَيْدًا، ثُمَّ أَفْطَرَ حَتَّى أَتَى مَكَّةَ»

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মদীনায় সাওম শুরু করে [সফর করে] 'কুদাইদ' নামক স্থানে এসে সাওম ভঙ্গ করে মক্কায় পৌঁছলেন।

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২২৮৮-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর মদিনা থেকে মক্কার দিকে একটি সফরের সংক্ষিপ্ত বিবরণ এসেছে। তিনি মদিনা থেকে সাওম পালন করতে করতে কুদাইদ নামের স্থানে পৌঁছান। এরপর সেখানে রোজা ভেঙে দেন এবং রোজা না রাখা অবস্থায় মক্কা পর্যন্ত যান। বর্ণনাটি সফরের শুরু, মাঝপথ এবং পরবর্তী অংশকে খুব পরিষ্কারভাবে তুলে ধরে। তিনি সফরের শুরুতেই রোজা ভাঙেননি; কিছু পথ রোজা রেখেছেন। আবার পুরো সফরজুড়েও রোজা চালিয়ে যাননি; কুদাইদে এসে ভেঙেছেন। তাই এই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, সফরের মধ্যে রোজা শুরু করে পরে ভাঙার দৃষ্টান্তও রয়েছে। এখানে কেন সেই স্থানে রোজা ভাঙা হয়েছিল, সে বিষয়ে আলাদা কারণ বলা হয়নি। ফলে ব্যাখ্যার সময় অজানা কোনো কারণ নিশ্চিতভাবে যোগ করা ঠিক হবে না।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নবী صلى الله عليه وسلم মদিনা থেকে কুদাইদ পর্যন্ত রোজা রেখেছিলেন।
  • তিনি সফরের মাঝপথে রোজা ভেঙে মক্কা পর্যন্ত যান।
  • সফরে রোজা শুরু করে পরে ভাঙার দৃষ্টান্ত পাওয়া যায়।
  • বর্ণনায় উল্লেখ নেই এমন কারণ নিজের পক্ষ থেকে নির্ধারণ করা উচিত নয়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন