২২/৪৮. অধ্যায়ঃ

'আলী ইবনুল মুবারক (রহিমাহুল্লাহ) থেকে বর্ণনায় সানাদের ভিন্নতা

সফরে রোজা রাখার বিধান: কষ্টকে উপেক্ষা নয়

সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২২৬১

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عُمَرَ، قَالَ: أَنْبَأَنَا عَلِيُّ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ رَجُلٍ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «لَيْسَ مِنَ الْبِرِّ الصِّيَامُ فِي السَّفَرِ»

জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : সফরকালীন অবস্থায় সাওম পালন কোনো সওয়াবের কাজ নয়।

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২২৬১-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসের মূল বিষয় হলো সফরে রোজা রাখা। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, সফর অবস্থায় সাওম পালন সওয়াবের কাজ নয়। কথাটি খুব সংক্ষিপ্ত, তাই ব্যাখ্যাতেও সীমা মানা জরুরি। হাদিসটি আমাদের জানায়, শুধু কষ্ট সহ্য করলেই কোনো কাজ বেশি নেকির হয়ে যায় না। সফরের অবস্থা, শরীরের সামর্থ্য এবং আল্লাহর দেওয়া সহজতার দিকটিও দেখতে হয়। এখানে মুসাফিরের রোজা নিয়ে এমন একটি দৃষ্টিভঙ্গি পাওয়া যায়, যেখানে অকারণ কষ্টকে ইবাদতের লক্ষ্য বানানো হয়নি। তবে এই এক বাক্য থেকে সফরের সব অবস্থার বিস্তারিত বিধান তৈরি করা ঠিক হবে না। বরং সরাসরি শিক্ষা হলো, সফরে রোজা রাখাকে নিজে থেকেই বাড়তি সওয়াবের কাজ ধরে নেওয়া যাবে না। ইবাদতে নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশ এবং আল্লাহর দেওয়া ছাড়কে সম্মান করা গুরুত্বপূর্ণ।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • সফরে রোজা রাখাকে নিজে থেকেই বাড়তি সওয়াবের কাজ ধরে নেওয়া ঠিক নয়।
  • ইবাদতের নামে অকারণ কষ্টকে লক্ষ্য বানানো উচিত নয়।
  • মুসাফিরের জন্য আল্লাহর দেওয়া সহজতাকে গুরুত্ব দিতে হয়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন