২২/৪৪. অধ্যায়ঃ
যে ব্যক্তি মহামহিয়ান আল্লাহর রাহে একদিন সওম পালন করল তার সাওয়াব, এ বিষয়ে হাদীস বর্ণনায় সুহায়ল ইবনু আবু সালিহ (রহিমাহুল্লাহ) থেকে বর্ণনায় পার্থক্য
একদিন সাওমের ফজিলত: জাহান্নাম থেকে সত্তর বছরের দূরত্ব
সুনানে আন-নাসায়ী : ২২৪৯
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২২৪৯
أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ قَزَعَةَ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ الْأَسْوَدِ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُهَيْلٌ، عَنْ النُّعْمَانِ بْنِ أَبِي عَيَّاشٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ صَامَ يَوْمًا فِي سَبِيلِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ بَاعَدَهُ اللَّهُ عَنِ النَّارِ سَبْعِينَ خَرِيفًا»
আবূ সাঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় একদিন সাওম পালন করবে আল্লাহ তা‘আলা সেই সাওমের বিনিময়ে তার চেহারাকে জাহান্নাম হতে সত্তর বছরের দূরত্বে সরিয়ে রাখবেন।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২২৪৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় একদিন সাওম পালন করবে, আল্লাহ তার চেহারাকে জাহান্নাম থেকে সত্তর বছরের দূরত্বে সরিয়ে রাখবেন। এখানে প্রতিদানটি সাওমের বিনিময়ে বলা হয়েছে। তাই হাদিসের মূল বার্তা হলো আল্লাহর পথে রোজা রাখা এবং এর ফলে আগুন থেকে দূরে রাখার অনুগ্রহ। বর্ণনায় অন্য কোনো বিস্তারিত নিয়ম নেই। ফলে ব্যাখ্যায় রোজার সময়, ধরন বা অতিরিক্ত ফিকহি আলোচনা যোগ না করাই সঠিক। এই হাদিস মানুষকে মনে করিয়ে দেয়, একদিনের নেক আমলও আল্লাহর কাছে গুরুত্ব পেতে পারে। সাওমের ফজিলত নিয়ে সহজ ভাষায় বলতে গেলে, এটি আল্লাহর রাস্তায় করা রোজার বড় পুরস্কারের একটি স্পষ্ট বর্ণনা। একই সঙ্গে এই বর্ণনা আল্লাহর রহমতের আশা জাগায়, কিন্তু নিজের পক্ষ থেকে কোনো বাড়তি প্রতিশ্রুতি যোগ করার অনুমতি দেয় না।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আল্লাহর রাস্তায় একদিন সাওম পালনের বিশেষ ফজিলত এসেছে।
- একদিনের নেক আমলকেও ছোট মনে করা উচিত নয়।
- হাদিসে চেহারা জাহান্নাম থেকে সত্তর বছরের দূরে রাখার কথা এসেছে।
- নিজের পক্ষ থেকে বাড়তি প্রতিশ্রুতি যোগ করা উচিত নয়।
