২২/৪৩. অধ্যায়ঃ
সওম পালনকারীর ফাযীলাত সম্পর্কে আবু উমামাহ্ (রাঃ)-এর হাদীসে মুহাম্মাদ ইবনু আবূ ইয়া'কূব (রহিমাহুল্লাহ) থেকে বর্ণনাকারীদের বর্ণনা পার্থক্য
রাইয়্যান দরজা: রোজাদারদের জন্য জান্নাতের বিশেষ সম্মান
সুনানে আন-নাসায়ী : ২২৩৬
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২২৩৬
أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، قَالَ: أَنْبَأَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ، عَنِ النَّبِي صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «لِلصَّائِمِينَ بَابُ فِي الْجَنَّةِ يُقَالُ لَهُ الرَّيَّانُ، لَا يَدْخُلُ فِيهِ أَحَدٌ غَيْرُهُمْ، فَإِذَا دَخَلَ آخِرُهُمْ أُغْلِقَ، مَنْ دَخَلَ فِيهِ شَرِبَ وَمَنْ شَرِبَ لَمْ يَظْمَأْ أَبَدًا»
সাহ্ল ইবনু সা’দ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) হতে বর্ণিত। তিনি (ﷺ) বলেছেনঃ সাওম পালনকারীদের জন্য জান্নাতে রাইয়্যান নামক একটি দরজা রয়েছে, সে দরজা দিয়ে সাওম পালনকারীগণ ব্যতীত অন্য কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। তাদের শেষ ব্যক্তি প্রবেশ করার পর সে দরজা বন্ধ করে দেয়া হবে। যে ব্যক্তি এ দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে সে পানি পান করবে আর যে পানি পান করবে সে কখনো পিপাসার্ত হবে না।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২২৩৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় রাইয়্যান দরজা ও সাওমের ফজিলত। নবী صلى الله عليه وسلم বলেছেন, জান্নাতে রোজাদারদের জন্য “রাইয়্যান” নামে একটি দরজা আছে। রোজাদার ছাড়া অন্য কেউ সেই দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে না। তাদের শেষ ব্যক্তি প্রবেশ করার পর দরজাটি বন্ধ করে দেওয়া হবে। আরও বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি এই দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে সে পানি পান করবে, আর পান করার পর কখনো পিপাসিত হবে না। বর্ণনাটি রোজাদারদের জন্য একটি নির্দিষ্ট জান্নাতি সম্মানের কথা জানায়। এখানে কারা রোজাদার হিসেবে গণ্য হবে বা কোন সাওমের কী শর্ত—এসব বিস্তারিত নেই। তাই মূল বার্তা হলো, সাওম পালনকারীদের জন্য রাইয়্যান নামে বিশেষ দরজা নির্ধারিত আছে। এই প্রতিশ্রুতি রোজার কষ্টে ধৈর্য ধরতে এবং ইবাদতটি আন্তরিকভাবে পালন করতে উৎসাহ দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জান্নাতে রোজাদারদের জন্য রাইয়্যান নামে একটি দরজা আছে।
- রোজাদার ছাড়া অন্য কেউ সেই দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে না।
- শেষ রোজাদার প্রবেশের পর দরজাটি বন্ধ করা হবে।
- রাইয়্যান দিয়ে প্রবেশকারী পান করার পর আর পিপাসিত হবে না।
