২২/৪৩. অধ্যায়ঃ
সওম পালনকারীর ফাযীলাত সম্পর্কে আবু উমামাহ্ (রাঃ)-এর হাদীসে মুহাম্মাদ ইবনু আবূ ইয়া'কূব (রহিমাহুল্লাহ) থেকে বর্ণনাকারীদের বর্ণনা পার্থক্য
সাওমের মর্যাদা: রোজা একটি ঢাল
সুনানে আন-নাসায়ী : ২২২৬
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২২২৬
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَمُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَا: حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ الْحَكَمِ، قَالَ: سَمِعْتُ عُرْوَةَ بْنَ النَّزَّالِ، يُحَدِّثُ عَنْ مُعَاذٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الصَّوْمُ جُنَّةٌ»---[حكم الألباني] صحيح لغيره
মু'আয ইবনু জাবাল (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: সাওম হচ্ছে ঢালস্বরূপ।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২২২৬-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় নবী صلى الله عليه وسلم-এর বক্তব্য একটিই—সাওম ঢালস্বরূপ। খুব অল্প শব্দে রোজার একটি গভীর দিক বোঝানো হয়েছে। ঢালকে মানুষ রক্ষার জন্য ব্যবহার করে; তাই সাওমের সঙ্গে ঢালের তুলনা রোজার রক্ষাকারী ভূমিকার দিকে ইঙ্গিত করে। বর্ণনায় আরও শর্ত বা ঘটনা যোগ করা হয়নি। ফলে ব্যাখ্যার কেন্দ্রও হওয়া উচিত এই সরাসরি বার্তা। রোজা পালনকারী যখন নিজেকে খাবার, পানীয় ও অন্যান্য রোজাভঙ্গকারী বিষয় থেকে বিরত রাখেন, তখন তিনি সংযমের অনুশীলন করেন। এই হাদিস সাওমকে হালকা করে না দেখার শিক্ষা দেয়। বরং রোজাকে এমন একটি ইবাদত হিসেবে গ্রহণ করতে বলে, যা মানুষের সামনে সুরক্ষার দেয়াল তৈরি করার মতো মূল্যবান। সেই ঢালকে সম্মান করা এবং সাওম যথাযথভাবে পালন করা রোজাদারের দায়িত্ববোধ বাড়ায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাওমের সঙ্গে ঢালের সরাসরি তুলনা করা হয়েছে।
- রোজাকে মূল্যবান রক্ষাকারী ইবাদত হিসেবে দেখা উচিত।
- সাওমের সময় সংযম ধরে রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
- বর্ণনায় যা বলা হয়েছে, ব্যাখ্যা সেই সীমার মধ্যেই রাখা দরকার।
