২২/৪০. অধ্যায়ঃ
এ হাদীস বর্ণনায় ইয়াহইয়া ইবনু আবু কাসীর ও নাফ্র ইবনু শায়বান (রহিমাহুমাল্লাহ)-এর বর্ণনার পার্থক্য
রমজানের রোজা ও তারাবিহ: ঈমানসহ পূর্ণ মাসের ইবাদত
সুনানে আন-নাসায়ী : ২২০৯
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২২০৯
أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَنْبَأَنَا النَّضْرُ بْنُ شُمَيْلٍ، قَالَ: أَنْبَأَنَا الْقَاسِمُ بْنُ الْفَضْلِ، قَالَ: حَدَّثَنَا النَّضْرُ بْنُ شَيْبَانَ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، فَذَكَرَ مِثْلَهُ، وَقَالَ: «مَنْ صَامَهُ وَقَامَهُ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا»
আবূ সালামা (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
অতঃপর পূর্বের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করে বললেন, যে ব্যক্তি রমজান মাসে সাওম পালন করে এবং তারাবির সালাত আদায় করে ঈমানের সাথে এবং সওয়াবের আশায়।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২২০৯-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় রমজানের দুটি প্রধান আমল একসঙ্গে এসেছে: দিনের সিয়াম এবং রাতের তারাবিহ। উভয় কাজই ঈমানের সঙ্গে ও সওয়াবের আশায় করার কথা বলা হয়েছে। এর মানে, রোজা ও রাতের সালাত শুধু বাহ্যিক রুটিন নয়। একজন মুসলিম আল্লাহর নির্দেশ সত্য মেনে রোজা রাখবে এবং তাঁর কাছেই প্রতিদানের আশা করবে। একইভাবে রাতে দাঁড়ানোও লোকদেখানো বা কেবল পরিবেশের কারণে নয়, আন্তরিক ইবাদত হিসেবে হবে। হাদিসের বাক্য ছোট হলেও রমজানের ভারসাম্যপূর্ণ জীবন দেখায়: দিনে সংযম, রাতে সালাত। তাই যে ব্যক্তি রমজানের ফজিলত পেতে চায়, সে শুধু রোজা রেখে রাতের ইবাদত ভুলবে না; আবার শুধু তারাবিহ পড়ে সিয়ামের দায়িত্বকেও হালকা ভাববে না। এই দিকটি আমলকে আরও সচেতন ও অর্থপূর্ণ করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমজানে দিনের সিয়াম ও রাতের সালাত—দুটিই গুরুত্বপূর্ণ।
- উভয় ইবাদত ঈমানের সঙ্গে করতে হবে।
- প্রতিদান মানুষের কাছে নয়, আল্লাহর কাছে আশা করা উচিত।
- রমজানের ইবাদতে দিন ও রাতের ভারসাম্য রাখা দরকার।
