২২/৩৯. অধ্যায়ঃ
যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সাওয়াবের আশায় রমাযান মাসে রাতের সলাত আদায় করে এবং সওম পালন করে তার সাওয়াব - এ বিষয়ে যুহরী (রহিমাহুল্লাহ) থেকে রিওয়ায়াত বর্ণনায় ইখতিলাফ
কিয়ামুল রমজান: ঈমান ও সওয়াবের আশায় রাতের সালাত
সুনানে আন-নাসায়ী : ২১৯৪
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২১৯৪
أَخْبَرَنَا الرَّبِيعُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ فِي رَمَضَانَ: «مَنْ قَامَهُ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে রমজান মাসের ব্যাপারে বলতে শুনেছি: যে ব্যক্তি ইমানের সাথে সওয়াবের আশায় রাতের (তারাবির) সালাত আদায় করে, তার পূর্বের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২১৯৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবু হুরায়রা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর কাছ থেকে রমজানের রাতের সালাতের ফজিলত বর্ণনা করেছেন। নবী صلى الله عليه وسلم বলেন, যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে এবং সওয়াবের আশায় রমজানে কিয়াম করবে, তার পূর্বের গুনাহ ক্ষমা করা হবে। এখানে ‘কিয়াম’ বলতে রমজানের রাতে সালাতে দাঁড়ানো বোঝানো হয়েছে, যা সাধারণভাবে তারাবির সালাত নামে পরিচিত। তবে হাদিসের মূল শব্দ ও শিক্ষা হলো ঈমান ও ইহতিসাবসহ রাতের সালাত। তাই শুধু সামাজিক অভ্যাস বা লোক দেখানোর জন্য নয়, আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস এবং তাঁর কাছ থেকে প্রতিদানের আশা নিয়ে ইবাদত করা দরকার। বর্ণনাটি সংক্ষিপ্ত হলেও তারাবির উদ্দেশ্য পরিষ্কার করে। ক্ষমার সুসংবাদকে হাদিসের শর্ত থেকে আলাদা করে বলা উচিত নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমজানের রাতে সালাতে দাঁড়ানো এই হাদিসের মূল আমল।
- ঈমানের সঙ্গে ইবাদত করার শর্ত এসেছে।
- আল্লাহর সওয়াবের আশা রাখাও জরুরি।
- ক্ষমার সুসংবাদ শর্তযুক্ত ভাষাতেই বলা উচিত।
