১/১৩৮. অধ্যায়ঃ
হায়য ও ইস্তিহাযার রক্তের পার্থক্য নির্ণয়।
সুনানে নাসাঈ : ২১৭
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ২১৭
أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَبِيبِ بْنِ عَرَبِيٍّ قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادٌ وَهُوَ ابْنُ زَيْدٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: اسْتُحِيضَتْ فَاطِمَةُ بِنْتُ أَبِي حُبَيْشٍ فَسَأَلَتِ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي أُسْتَحَاضُ فَلَا أَطْهُرُ، أَفَأَدَعُ الصَّلَاةَ؟ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّمَا ذَلِكَ عِرْقٌ وَلَيْسَتْ بِالْحَيْضَةِ، فَإِذَا أَقْبَلَتِ الْحَيْضَةُ فَدَعِي الصَّلَاةَ، وَإِذَا أَدْبَرَتْ فَاغْسِلِي عَنْكِ أَثَرَ الدَّمِ وَتَوَضَّئِي؛ فَإِنَّمَا ذَلِكَ عِرْقٌ وَلَيْسَتْ بِالْحَيْضَةِ». قِيلَ لَهُ: فَالْغُسْلُ؟ قَالَ: «ذَلِكَ لَا يَشُكُّ فِيهِ أَحَدٌ» قَالَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ: لَا أَعْلَمُ أَحَدًا ذَكَرَ فِي هَذَا الْحَدِيثِ «وَتَوَضَّئِي» غَيْرُ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ، وَقَدْ رَوَى غَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ هِشَامٍ، وَلَمْ يَذْكُرْ فِيهِ «وَتَوَضَّئِي»
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
ফাতিমা বিনতু আবু হুবাইশ (রাঃ) ইস্তিহাযা হলে তিনি নবী (ﷺ)-কে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার ইস্তিহাযা হয়, অতএব আমি পবিত্র হই না। এমতাবস্থায় আমি কি সালাত ছেড়ে দিব? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, এটা হায়জ নয়, বরং এটা একটি শিরার রক্ত মাত্র। অতএব, যখন হায়জ দেখা দেয় তখন সালাত আদায় করবে না। আর যখন হায়জ বন্ধ হবে তখন রক্তের চিহ্ন ধৌত করবে এবং ওযু করে নিবে। কারণ এটা হায়জ নয়, বরং তা একটি শিরার রক্ত মাত্র।তাঁকে প্রশ্ন করা হলো, হায়জ বন্ধ হওয়ার পর কি গোসল করতে হবে? তিনি বললেন, এতে কারো সন্দেহ থাকতে পারে না।আবু আবদুর রহমান (ইমাম নাসাঈ) বলেন, হাম্মাদ ইবনু যায়দ ব্যতীত অন্য কেউ এ হাদীসে "তুমি ওযু করে নিবে" এ কথাটি উল্লেখ করেছেন বলে আমার জানা নেই। তিনি ব্যতীত আরো অনেকে এটি হিশাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তবে কেউই "তুমি ওযু করে নেবে" কথাটি উল্লেখ করেননি।
