২২/২৬. অধ্যায়ঃ
সাহরীকে সকালের খাবার বলে নামকরণ
ভোররাতের সাহরি কেন বরকতময়: নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর স্পষ্ট নির্দেশ
সুনানে আন-নাসায়ী : ২১৬৪
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২১৬৪
أَخْبَرَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ: أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ، عَنْ بَقِيَّةَ بْنِ الْوَلِيدِ، قَالَ: أَخْبَرَنِي بَحِيرُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، عَنْ الْمِقْدَامِ بْنِ مَعْدِ يكَرِبَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «عَلَيْكُمْ بِغَدَاءِ السُّحُورِ فَإِنَّهُ هُوَ الْغَدَاءُ الْمُبَارَكُ»
মিকদাম ইব্ন মা’দী কারিব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবি (ﷺ) হতে বর্ণিত। তিনি (ﷺ) বলেন, তোমরা অবশ্যই ভোর রাতের খাদ্য খাবে। কেননা সেটাই সকালের বরকতময় খাবার।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২১৬৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বক্তব্য খুব সরাসরি: ভোররাতের খাবার অর্থাৎ সাহরি গ্রহণ করতে হবে, কারণ এটি বরকতময় খাবার। নবী (صلى الله عليه وسلم) সাহরির প্রতি জোর দিয়েছেন এবং এর বিশেষ গুণ হিসেবে বরকতের কথা বলেছেন। হাদিসটি সাহরিকে শুধু দৈহিক প্রয়োজন হিসেবে তুলে ধরে না; বরং রোজার আগে একটি অর্থবহ আমল হিসেবে দেখায়। এখানে কোনো নির্দিষ্ট খাবারের তালিকা নেই, কোনো বড় আয়োজনের শর্তও নেই। তাই এই বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, মূল লক্ষ্য হলো সাহরির আমলটি ধরে রাখা। সাহরি খাওয়ার সময়, সাহরির বরকত এবং রোজার প্রস্তুতি নিয়ে যারা জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস পরিষ্কার উত্তর দেয়। সহজভাবে বললে, সাহরিকে গুরুত্ব দেওয়া নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর শেখানো রোজার প্রস্তুতির অংশ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ভোররাতে সাহরি গ্রহণের প্রতি নবী (صلى الله عليه وسلم) জোর দিয়েছেন।
- সাহরির প্রধান বৈশিষ্ট্য হিসেবে বরকতের কথা বলা হয়েছে।
- হাদিসে নির্দিষ্ট খাবার নয়, সাহরি গ্রহণের আমলটিই গুরুত্ব পেয়েছে।
