২২/১০. অধ্যায়ঃ
যুহরী থেকে এ হাদীসের সানাদের পার্থক্য বর্ণনা
চাঁদ দেখা না গেলে রমজানের ত্রিশ দিন পূর্ণ করুন
সুনানে আন-নাসায়ী : ২১১৯
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২১১৯
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ اللَّهِ النَّيْسَابُورِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «إِذَا رَأَيْتُمُ الْهِلَالَ فَصُومُوا، وَإِذَا رَأَيْتُمُوهُ فَأَفْطِرُوا، فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَصُومُوا ثَلَاثِينَ يَوْمًا»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যখন তোমরা চাঁদ দেখ তখন সাওম পালন কর। আর যখন তোমরা চাঁদ দেখ তখন সাওম ভঙ্গ কর। তবে যদি আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে তবে ত্রিশ দিন সাওম পালন করবে।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২১১৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, চাঁদ দেখলে সাওম শুরু করতে এবং আবার চাঁদ দেখলে সাওম ভাঙতে। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে চাঁদ দেখা না গেলে ত্রিশ দিন সাওম পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বর্ণনার ভাষা সিদ্ধান্ত নেওয়ার একটি পরিষ্কার ধাপ দেখায়। প্রথমে চাঁদ দেখার চেষ্টা থাকবে। দেখা গেলে সেই অনুযায়ী মাস শুরু বা শেষ হবে। দেখা না গেলে অনিশ্চিত অনুমান না করে ত্রিশ দিন পূর্ণ করা হবে। এতে রমজানের দিনসংখ্যা নিয়ে তাড়াহুড়ো বা ব্যক্তিগত ধারণার সুযোগ কমে। হাদিসে চাঁদ দেখার প্রযুক্তি, স্থানভেদ বা সাক্ষ্যের বিস্তারিত নেই, তাই সেসব বিষয়কে এই পাঠের সরাসরি বক্তব্য বলা যাবে না। মূল শিক্ষা হলো, সাওমের সময় নির্ধারণে দৃশ্যমান চিহ্ন ও পূর্ণ গণনা অনুসরণ করা। মেঘকে অজুহাত বানিয়ে ইচ্ছামতো সিদ্ধান্ত না নিয়ে নির্ধারিত বিকল্প গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- চাঁদ দেখা গেলে সাওম শুরু করতে হবে।
- চাঁদ দেখা গেলে সাওম শেষ করতে হবে।
- মেঘের কারণে চাঁদ দেখা না গেলে ত্রিশ দিন পূর্ণ করতে হবে।
- অনিশ্চয়তায় ব্যক্তিগত অনুমানের বদলে নির্ধারিত গণনা অনুসরণ করা উচিত।
