২২/৯. অধ্যায়ঃ

মেঘাচ্ছন্ন আকাশে শা'বান মাসের ত্রিশ দিন পূর্ণ করা এবং আবু হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণনাকারীদের মধ্যে বর্ণনা মতভেদ।

চাঁদ দেখে রোজা রাখুন, মেঘ হলে ত্রিশ দিন পূর্ণ করুন

সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২১১৭

أَخْبَرَنَا مُؤَمَّلُ بْنُ هِشَامٍ، عَنْ إِسْمَعِيلَ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «صُومُوا لِرُؤْيَتِهِ وَأَفْطِرُوا لِرُؤْيَتِهِ فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمُ الشَّهْرُ فَعُدُّوا ثَلَاثِينَ»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমরা চাঁদ দেখে সাওম পালন করবে এবং চাঁদ দেখেই সাওম ভঙ্গ করবে। তবে এ মাসে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে ত্রিশ দিন পূর্ণ করবে।

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২১১৭-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে সাওম শুরু ও শেষ করার একটি সহজ এবং পরিষ্কার নীতি বলা হয়েছে। রমজানের চাঁদ দেখা গেলে সাওম শুরু করতে হবে, আর পরের মাসের চাঁদ দেখা গেলে সাওম ভাঙতে হবে। যদি আকাশ মেঘে ঢাকা থাকে এবং চাঁদ দেখা না যায়, তাহলে মাসের ত্রিশ দিন পূর্ণ করতে বলা হয়েছে। বর্ণনাটিতে অনুমান, গুজব বা শুধু ব্যক্তিগত ধারণার ওপর সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা নেই। মূল ভিত্তি হলো চাঁদ দেখা; দেখা সম্ভব না হলে পূর্ণ গণনা। তাই রমজান শুরু এবং ঈদ নির্ধারণের ক্ষেত্রে ধৈর্য, নিশ্চিত তথ্য এবং মাসের হিসাব গুরুত্বপূর্ণ। হাদিসের ভাষা সংক্ষিপ্ত হওয়ায় এর বাইরে জ্যোতির্বিজ্ঞান, দেশভেদে সিদ্ধান্ত বা প্রশাসনিক পদ্ধতি নিয়ে অতিরিক্ত দাবি করা ঠিক নয়। সরাসরি শিক্ষা হলো: চাঁদ দেখার সঙ্গে সাওমের শুরু ও শেষ যুক্ত, আর অনিশ্চয়তায় ত্রিশ দিন পূর্ণ করা হবে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • চাঁদ দেখা সাওম শুরু করার ভিত্তি।
  • চাঁদ দেখা সাওম শেষ করার ভিত্তি।
  • মেঘের কারণে চাঁদ না দেখা গেলে ত্রিশ দিন পূর্ণ করতে হবে।
  • অনিশ্চিত ধারণার বদলে নিশ্চিত দেখা বা পূর্ণ গণনা অনুসরণ করা উচিত।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন