২২/৮. অধ্যায়ঃ
রমাযান মাসের চাঁদ দেখার ব্যাপারে একজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা এবং এ ব্যাপারে সিমাক (রহিমাহুল্লাহ)-এর হাদীসে সুফইয়ান এর বর্ণনা পার্থক্য
ইকরিমা (রহ.) থেকে মুরসাল সূত্রে হাদিস বর্ণনা
সুনানে আন-নাসায়ী : ২১১৫
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২১১৫
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمِ بْنِ نُعَيْمٍ مِصِّيصِيٌّ، قَالَ: أَنْبَأَنَا حِبَّانُ بْنُ مُوسَى الْمَرْوَزِيُّ، قَالَ: أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ مُرْسَلٌ
ইকরিমা (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
ইকরিমা (রহঃ) থেকেও মুরসাল সূত্রে এ হাদিসটি বর্ণিত।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২১১৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের পাঠে কেবল একটি সূত্রগত তথ্য রয়েছে: ইকরিমা (রহ.) থেকে আগের বর্ণনাটি মুরসালভাবে বর্ণিত হয়েছে। এতে আলাদা কোনো বক্তব্য, নতুন ঘটনা বা অতিরিক্ত বিধান নেই। ইসলামী স্কলারদের মতে, মুরসাল হাদিসে একজন তাবেঈ নবি صلى الله عليه وسلم-এর কথা সরাসরি বর্ণনা করেন, কিন্তু মাঝখানে কোন সাহাবি ছিলেন তা উল্লেখ করা হয় না। ফলে এই বর্ণনার উপকার হলো, একই বিষয়ের আরেকটি বর্ণনাপথ সম্পর্কে জানা। এটিকে আগের পূর্ণ হাদিসের বিকল্প পূর্ণ পাঠ মনে করা উচিত নয়। চাঁদ দেখা, সাক্ষ্য গ্রহণ এবং সাওমের ঘোষণা সম্পর্কে বিস্তারিত আগের বর্ণনায় ছিল; এখানে সেগুলো পুনরুক্ত হয়নি। তাই ব্যাখ্যায় সতর্কভাবে বলতে হবে যে এই অংশ মূলত সনদের ধরন জানায়। হাদিস অধ্যয়নে এমন সংক্ষিপ্ত নোট গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এতে কোন বক্তব্য কোন পথে এসেছে তা বোঝা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এখানে মূলত বর্ণনাসূত্রের ধরন জানানো হয়েছে।
- ইকরিমা (রহ.) থেকে বর্ণনাটি মুরসালভাবে এসেছে।
- আগের পূর্ণ ঘটনার সব বিস্তারিত এই সংক্ষিপ্ত পাঠে নেই।
- হাদিস বোঝার সময় বক্তব্য ও সনদ-তথ্য আলাদা করে দেখা দরকার।
