১/১৩৪. অধ্যায়ঃ
হায়যের পর গোসল প্রসঙ্গে
ইস্তিহাযা হলে গোসল করে সালাত: উম্মু হাবীবার বর্ণনা
সুনানে নাসাঈ : ২০৬
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ২০৬
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ قَالَ: حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: اسْتَفْتَتْ أُمُّ حَبِيبَةَ بِنْتُ جَحْشٍ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي أُسْتَحَاضُ. فَقَالَ: «إِنَّمَا ذَلِكَ عِرْقٌ فَاغْتَسِلِي وَصَلِّي» فَكَانَتْ تَغْتَسِلُ لِكُلِّ صَلَاةٍ
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
উম্মু হাবীবা বিনত জাহশ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে ফাতাওয়া জিজ্ঞেস করতে গিয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি ইস্তিহাজায় ভুগছি। তিনি (ﷺ) বললেন, এটা একটি শিরার রক্ত মাত্র। অতএব, তুমি গোসল কর এবং সালাত আদায় কর। এরপর উম্মু হাবীবা (রাঃ) প্রত্যেক সালাতের জন্য গোসল করতেন।
সুনানে নাসাঈ হাদিস ২০৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে উম্মু হাবীবা বিনত জাহশ (রাঃ) নিজ অবস্থার কথা রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে জানান। তিনি বলেন, তিনি ইস্তিহাযায় ভুগছেন। নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেন, এটি শিরার রক্ত। এরপর তাঁকে গোসল করতে এবং সালাত আদায় করতে বলা হয়। বর্ণনায় এসেছে, উম্মু হাবীবা (রাঃ) প্রত্যেক সালাতের জন্য গোসল করতেন। এই অংশটি তাঁর আমল হিসেবে এসেছে। হাদিসটির মূল শিক্ষা হলো, ইস্তিহাযা হায়জের মতো নয়। তাই এ অবস্থায় পবিত্রতার ব্যবস্থা নিয়ে সালাত আদায় করতে হবে। ইস্তিহাযা হলে নামাজ, গোসলের বিধান, শিরার রক্ত এবং মহিলাদের পবিত্রতা বিষয়ে যারা সহজ উত্তর চান, তাদের জন্য এই হাদিসটি খুব প্রাসঙ্গিক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইস্তিহাযাকে শিরার রক্ত বলা হয়েছে।
- ইস্তিহাযা হলে গোসল করে সালাত আদায়ের নির্দেশ এসেছে।
- উম্মু হাবীবা (রাঃ) প্রত্যেক সালাতের জন্য গোসল করতেন।
- নিজের পবিত্রতা-সংক্রান্ত সমস্যা জানিয়ে বিধান জিজ্ঞেস করা উচিত।
