২১/১০৬. অধ্যায়ঃ
ক্বব্রকে সাজদার স্থানে পরিণত করা
নবীদের কবরকে মসজিদ বানানোর বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কতা
সুনানে আন-নাসায়ী : ২০৪৬
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২০৪৬
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لَعَنَ اللَّهُ قَوْمًا اتَّخَذُوا قُبُورَ أَنْبِيَائِهِمْ مَسَاجِدَ»
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আয়িশা (রাঃ) বর্ণনা করেন। নবী (ﷺ) বলেন: ঐ লোকদের ওপর আল্লাহর লা‘নাত দিয়েছেন, যারা তাদের নবীদের কবরসমূহকে মসজিদ বানিয়ে নিয়েছে।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২০৪৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো নবীদের কবরকে মসজিদ বানানো থেকে বিরত থাকা। আয়িশা রাঃ বর্ণনা করেছেন, নবী صلى الله عليه وسلم বলেছেন যে আল্লাহ সেই লোকদের লানত করেছেন, যারা নিজেদের নবীদের কবরকে মসজিদ বানিয়ে নিয়েছে। এখানে খুব কঠোর সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। নবীদের প্রতি ভালোবাসা ও সম্মান অবশ্যই থাকতে হবে, কিন্তু সেই সম্মানের নামে তাঁদের কবরকে মসজিদে পরিণত করা গ্রহণযোগ্য নয়। হাদিসটি দেখায়, ধর্মীয় আবেগও নবী صلى الله عليه وسلم-এর নির্ধারিত সীমার মধ্যে রাখতে হয়। কবরকে কেন্দ্র করে ইবাদতের স্থান বানানোর প্রবণতা থেকে মুসলিমদের সতর্ক থাকা দরকার। মূল শিক্ষা হলো, ইবাদতের পদ্ধতি ও স্থান নির্ধারণে নিজের পছন্দ নয়, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নির্দেশ মেনে চলতে হবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবীদের কবরকে মসজিদে পরিণত করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
- নবীদের প্রতি সম্মান দেখাতে গিয়ে নিষিদ্ধ কাজে জড়ানো উচিত নয়।
- ইবাদতের ক্ষেত্রে রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর নির্ধারিত সীমা মেনে চলা দরকার।
- কবরকে কেন্দ্র করে বিশেষ ইবাদতের স্থান তৈরি করা সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে।
