২১/৭৯. অধ্যায়ঃ
জানাযায় অংশগ্রহণকারী ব্যক্তির সাওয়াব
জানাজার সালাত ও দাফনে অংশ নেওয়ার দুই কিরাত সওয়াব
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৯৯৪
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১৯৯৪
أَخْبَرَنَا نُوحُ بْنُ حَبِيبٍ، قَالَ: أَنْبَأَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، قَالَ: أَنْبَأَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ صَلَّى عَلَى جَنَازَةٍ فَلَهُ قِيرَاطٌ، وَمَنِ انْتَظَرَهَا حَتَّى تُوضَعَ فِي اللَّحْدِ فَلَهُ قِيرَاطَانِ، وَالْقِيرَاطَانِ مِثْلُ الْجَبَلَيْنِ الْعَظِيمَيْنِ»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি জানাজার সালাত আদায় করে তার জন্য এক কিরাত। আর যে ব্যক্তি লাশ কবরস্থ করা পর্যন্ত অপেক্ষা করে তার জন্য দুই কিরাত সওয়াব, আর দুই কিরাত সওয়াবের পরিমাণ দুটি বিশাল পাহাড়ের সমপরিমাণ।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৯৯৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় জানাজার সালাত ও দাফনে অংশ নেওয়ার সওয়াব। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি জানাজার সালাত আদায় করে, তার জন্য এক কিরাত সওয়াব রয়েছে। আর যে ব্যক্তি লাশ কবরে রাখা পর্যন্ত অপেক্ষা করে, তার জন্য দুই কিরাত সওয়াব রয়েছে। হাদিসের শেষে দুই কিরাতের বিশালতা বোঝাতে দুটি বড় পাহাড়ের উদাহরণ দেওয়া হয়েছে। এতে জানাজার সালাতের পাশাপাশি দাফন শেষ হওয়া পর্যন্ত মৃতের সঙ্গে থাকার গুরুত্ব বোঝা যায়। একজন মুসলিমের মৃত্যু হলে তার জানাজায় অংশ নেওয়া এবং কবরস্থ করা পর্যন্ত পাশে থাকা মুসলিম সমাজের দায়িত্বশীল আচরণের অংশ। তবে কাজটি সওয়াবের উদ্দেশ্যে এবং আন্তরিকতার সঙ্গে করা দরকার। হাদিসটি মানুষকে জানাজার সালাত শেষে তাড়াতাড়ি চলে না গিয়ে সুযোগ থাকলে দাফন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে উৎসাহ দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জানাজার সালাত আদায়কারীর জন্য এক কিরাত সওয়াবের কথা এসেছে।
- দাফন পর্যন্ত অপেক্ষা করলে দুই কিরাত সওয়াবের কথা বলা হয়েছে।
- দুই কিরাতকে দুটি বিশাল পাহাড়ের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।
- মৃত মুসলিমের দাফন পর্যন্ত পাশে থাকা সওয়াবের কাজ।
