২০/৬৫. অধ্যায়ঃ

ঘুমের কারণে যে রাতের ওযীফা পালন করতে না পারে সে কখন তা ক্বাযা করবে?

রাতের ওযীফা ছুটলে: যুহরের আগে সালাতে পাঠ করার শিক্ষা

সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১৭৯৩

أَخْبَرَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ قَالَ: «مَنْ فَاتَهُ وِرْدُهُ مِنَ اللَّيْلِ فَلْيَقْرَأْهُ فِي صَلَاةٍ قَبْلَ الظُّهْرِ فَإِنَّهَا تَعْدِلُ صَلَاةَ اللَّيْلِ»---[حكم الألباني] صحيح مقطوع

হুমায়দ ইব্‌ন আব্দুর রহমান (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

যে ব্যক্তি রাতে ওযীফা পাঠ করতে পারল না, সে যেন তা যুহরের পূর্বে সালাতে পড়ে নেয়। কেননা তা রাতের সালাতের সমপর্যায়ে গণ্য করা হবে।

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৭৯৩-এর সারসংক্ষেপ

এই বর্ণনায় বলা হয়েছে, কেউ রাতে তার নির্ধারিত ওযীফা বা পাঠ করতে না পারলে সে যেন যুহরের সালাতের আগে তা সালাতের মধ্যে পড়ে নেয়। তখন সেই সালাত রাতের সালাতের সমপর্যায়ে গণ্য হবে। হাদিসটির বক্তব্য সংক্ষিপ্ত, তাই এর সীমাও পরিষ্কার রাখা দরকার। এখানে রাতের ওযীফা ছুটে যাওয়া, যুহরের আগে পড়া এবং সালাতের মধ্যে পাঠ করা—এই তিনটি বিষয় সরাসরি এসেছে। প্রদত্ত পাঠের শেষে আলবানীর মূল্যায়ন হিসেবে “সহিহ মাকতূ” বলা হয়েছে। তাই এটিকে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর সরাসরি উক্তি হিসেবে উপস্থাপন না করে, বর্ণনার স্তর উল্লেখ করে বলা নিরাপদ। মূল শিক্ষা হলো, নিয়মিত রাতের আমল ছুটে গেলে যুহরের আগে তা পূরণ করার যত্ন রাখা। ফলে আমল ও বর্ণনার স্তর দুটোই পরিষ্কার থাকে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • রাতের ওযীফা ছুটলে যুহরের আগে তা পড়ার কথা এসেছে।
  • পাঠটি সালাতের মধ্যে আদায় করার উল্লেখ আছে।
  • এটি রাতের সালাতের সমপর্যায়ে গণ্য হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
  • বর্ণনার মান হিসেবে সহিহ মাকতূ মন্তব্যটি মনে রাখা দরকার।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন