২০/৬৫. অধ্যায়ঃ
ঘুমের কারণে যে রাতের ওযীফা পালন করতে না পারে সে কখন তা ক্বাযা করবে?
রাতের ওযীফা: ফজর থেকে যুহরের মাঝে পূরণ করার শিক্ষা
সুনানে নাসাঈ : ১৭৯০
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ১৭৯০
خْبَرَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو صَفْوَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ مَرْوَانَ، عَنْ يُونُسَ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ السَّائِبَ بْنَ يَزِيدَ، وَعُبَيْدَ اللَّهِ أَخْبَرَاهُ، أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ عَبْدٍ الْقَارِيَّ، قَالَ: سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ نَامَ عَنْ حِزْبِهِ أَوْ عَنْ شَيْءٍ مِنْهُ فَقَرَأَهُ فِيمَا بَيْنَ صَلَاةِ الْفَجْرِ وَصَلَاةِ الظُّهْرِ كُتِبَ لَهُ كَأَنَّمَا قَرَأَهُ مِنَ اللَّيْلِ»
আব্দুর রহমান ইব্ন আবদুল কারী (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি ঘুমের কারণে পূর্ণ ওযীফা অথবা তার কিছু অংশ পড়তে না পারে সে যেন তা ফজর ও যুহরের সালাতের মধ্যবর্তী সময়ে আদায় করে নেয়, তার জন্য রাতে আদায়ের সমপরিমাণ নেকি লেখা হবে।
সুনানে নাসাঈ হাদিস ১৭৯০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাতের ওযীফা বা নির্ধারিত পাঠ ঘুমের কারণে ছুটে গেলে কী করতে হবে তা বলা হয়েছে। কেউ তার পূর্ণ ওযীফা বা কিছু অংশ রাতে পড়তে না পারলে, সে যেন ফজরের সালাতের পর থেকে যুহরের সালাতের আগের সময়ের মধ্যে তা পড়ে নেয়। হাদিসে বলা হয়েছে, তার জন্য এমন নেকি লেখা হবে যেন সে রাতেই তা আদায় করেছে। এখানে সময়সীমা খুব পরিষ্কার—ফজর ও যুহরের মধ্যবর্তী সময়। একই সঙ্গে পূর্ণ ও আংশিক—দুই ধরনের ছুটে যাওয়া পাঠের কথাও এসেছে। তাই নিয়মিত নির্ধারিত রাতের পাঠ ছুটে গেলে হতাশ না হয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা পূরণ করার শিক্ষা পাওয়া যায়। এভাবে ছুটে যাওয়া আমলকে যত্নের সঙ্গে পূরণ করা হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাতের পূর্ণ বা আংশিক ওযীফা ঘুমে ছুটতে পারে।
- ফজর ও যুহরের মাঝখানে তা পড়ে নেওয়ার নির্দেশ এসেছে।
- এভাবে পড়লে রাতের পাঠের সমপরিমাণ নেকি লেখা হয়।
- ছুটে যাওয়া নিয়মিত আমল পূরণ করার যত্ন রাখা উচিত।
