২০/৬৪. অধ্যায়ঃ
অসুখ-বিসুখ, ব্যথা-বেদনার বা নিদ্রার কারণে তাহাজ্জুদের সলাত আদায় করতে না পারলে দিনের বেলা তার পরিবর্তে কত রাক'আত আদায় করতে হবে?
তাহাজ্জুদ কাজা: ঘুম বা অসুস্থতায় দিনে বারো রাকাত সালাত
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৭৮৯
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১৭৮৯
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ زُرَارَةَ، عَنْ سَعْدِ بْنِ هِشَامٍ، عَنْ عَائِشَةَ، «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا لَمْ يُصَلِّ مِنَ اللَّيْلِ مَنَعَهُ مِنْ ذَلِكَ نَوْمٌ أَوْ وَجَعٌ صَلَّى مِنَ النَّهَارِ ثِنْتَيْ عَشْرَةَ رَكْعَةً»
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন ঘুম, অসুখ-বিসুখ বা ব্যথা-বেদনার কারণে রাতে তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করতে পারতেন না, তখন তিনি দিনের বেলা বারো রাকাত সালাত আদায় করে নিতেন।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৭৮৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর একটি নিয়মিত আমল জানিয়েছেন। ঘুম, অসুস্থতা বা শরীরের ব্যথার কারণে তিনি রাতে তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করতে না পারলে দিনের বেলা বারো রাকাত সালাত পড়তেন। এখানে কারণগুলো স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে—নিদ্রা, অসুখ বা ব্যথা। তাই এটি ইচ্ছাকৃতভাবে রাতের সালাত বাদ দেওয়ার কথা নয়। হাদিসটি দেখায়, কোনো ভালো নফল আমল বাস্তব অসুবিধায় ছুটে গেলে পরে তা পূরণ করার চেষ্টা করা যায়। তবে প্রদত্ত পাঠে দিনের নির্দিষ্ট কোন ঘণ্টায় এই বারো রাকাত পড়তেন তা বলা হয়নি। তাই ব্যাখ্যায় সময় সম্পর্কে অতিরিক্ত দাবি না করে মূল কথায় থাকা উচিত: রাতে অক্ষম হলে তিনি দিনে বারো রাকাত আদায় করে নিতেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঘুম, অসুস্থতা বা ব্যথায় রাতের সালাত ছুটতে পারে।
- এ অবস্থায় রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) দিনে বারো রাকাত আদায় করতেন।
- নফল আমল ছুটে গেলে পরে পূরণ করার যত্ন দেখা যায়।
- হাদিসে দিনের নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করা হয়নি।
