২০/৬২. অধ্যায়ঃ
সা'ঈদ ইবনু জুবায়র (রাঃ)-এর নিকট প্রিয়ভাজন ব্যক্তির নাম
হাদিসের সনদ মূল্যায়ন: আবু জাফর আর-রাযী সম্পর্কে ইমাম নাসাঈর মন্তব্য
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৭৮৬
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১৭৮৬
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي بُكَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ الرَّازِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: فَذَكَرَ نَحْوَهُ، قَالَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ: «أَبُو جَعْفَرٍ الرَّازِيُّ لَيْسَ بِالْقَوِيِّ فِي الْحَدِيثِ»
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : অতঃপর রাবি পূর্বের হাদিসের ন্যায় উল্লেখ করেছেন।আবু আব্দুর রহমান (ইমাম নাসাঈ) বলেন, আবু জাফার আর রাযী হাদিস বর্ণনায় মজবুত নন।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৭৮৬-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় মূল বক্তব্য সংক্ষেপে এসেছে—রাবি আগের হাদিসের অনুরূপ একটি কথা রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর নামে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ইমাম নাসাঈর মূল্যায়ন। তিনি বলেছেন, আবু জাফর আর-রাযী হাদিস বর্ণনায় শক্তিশালী বা মজবুত নন। তাই এই হাদিস পড়ার সময় শুধু “আগের হাদিসের মতো” কথাটি দেখা যথেষ্ট নয়; সনদের একজন রাবি সম্পর্কে মুহাদ্দিসের সতর্ক মন্তব্যও গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে। প্রদত্ত পাঠে আগের বক্তব্যের বিস্তারিত আবার বলা হয়নি, ফলে এই বর্ণনা থেকে নতুন কোনো আলাদা শিক্ষা বা বিধান তৈরি করা ঠিক হবে না। এর সরাসরি শিক্ষা হলো, হাদিস বোঝার ক্ষেত্রে বর্ণনার ভাষার সঙ্গে রাবি ও সনদের মানগত মন্তব্যও বিবেচনা করা প্রয়োজন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এই বর্ণনায় আগের হাদিসের অনুরূপ বক্তব্যের কথা বলা হয়েছে।
- ইমাম নাসাঈ আবু জাফর আর-রাযীকে হাদিসে মজবুত নন বলেছেন।
- সংক্ষিপ্ত পাঠ থেকে নতুন বিস্তারিত দাবি করা উচিত নয়।
- হাদিসের বক্তব্যের পাশাপাশি সনদের মূল্যায়নও গুরুত্বপূর্ণ।
