২০/৪৮. অধ্যায়ঃ
হাদীস বর্ণনায় শু'বাহ্-এর ওপর মতানৈক্য
বিতরের সালাতে আল-আলা, আল-কাফিরুন ও আল-ইখলাস
সুনানে নাসাঈ : ১৭৩৫
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ১৭৩৫
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ أَبِي سُلَيْمَانَ، عَنْ زُبَيْدٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبْزَى، عَنْ أَبِيهِ قَالَ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُوتِرُ بِسَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى، وَقُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ، وَقُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ»، وَرَوَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ جُحَادَةَ، عَنْ زُبَيْدٍ، وَلَمْ يَذْكُرْ ذَرًّا
আব্দুর রহমান ইব্ন আবযা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) “সাব্বিহিসমা রব্বিকাল আ’লা" (সূরা আল আ’লা ৮৭), "কুল ইয়া আইয়্যুহাল কাফিরুন" (সূরা আল কাফিরুন ১০৯) ও “কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ' (সূরা আল ইখলাস ১১২) দ্বারা বিতরের সালাত আদায় করতেন।
সুনানে নাসাঈ হাদিস ১৭৩৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বিতরের সালাতের কিরাত হিসেবে তিনটি সূরার নাম বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم “সাব্বিহিসমা রব্বিকাল আ’লা”, “কুল ইয়া আইয়্যুহাল কাফিরুন” এবং “কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ” দিয়ে বিতর আদায় করতেন। এগুলো হলো সূরা আল-আলা, সূরা আল-কাফিরুন এবং সূরা আল-ইখলাস। অনুবাদে সূরার নম্বরও যথাক্রমে ৮৭, ১০৯ ও ১১২ দেওয়া হয়েছে। যারা “বিতরের নামাজে কোন সূরা পড়তে হয়” বা “বিতরের সুন্নত কিরাত” খোঁজেন, তাদের জন্য এই বর্ণনা সরাসরি তিনটি সূরার তথ্য দেয়। এখানে সালামের পরের জিকর, কুনুত বা রাকাতের সংখ্যা উল্লেখ নেই। তাই হাদিসটির শিক্ষা কিরাতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। সহজভাবে বললে, এটি নবীজির বিতরে পড়া তিন সূরার সংক্ষিপ্ত ও স্মরণযোগ্য বর্ণনা। বর্ণনায় যতটুকু আছে, ব্যাখ্যাও ততটুকুতেই সীমিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিতরের সালাতে সূরা আল-আলা পাঠের বর্ণনা রয়েছে।
- সূরা আল-কাফিরুন ও সূরা আল-ইখলাসও একই আমলে উল্লেখিত।
- হাদিসটি কিরাত জানায়; সালাত-পরবর্তী জিকর বা রাকাতের সংখ্যা জানায় না।
