২০/৪৮. অধ্যায়ঃ
হাদীস বর্ণনায় শু'বাহ্-এর ওপর মতানৈক্য
বিতরের পর সুবহানাল মালিকিল কুদ্দুস তিনবার বলার নিয়ম
সুনানে নাসাঈ : ১৭৩২
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ১৭৩২
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ يَزِيدَ، قَالَ: حَدَّثَنَا بَهْزُ بْنُ أَسَدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سَلَمَةَ، وَزُبَيْدٍ، عَنْ ذَرٍّ، عَنْ ابْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبْزَى، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُوتِرُ بِسَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى، وَقُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ، وَقُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ، وَكَانَ يَقُولُ إِذَا سَلَّمَ: «سُبْحَانَ الْمَلِكِ الْقُدُّوسِ» ثَلَاثًا، وَيَرْفَعُ صَوْتَهُ بِالثَّالِثَةِ
আব্দুর রহমান ইব্ন আবযা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) “সাব্বিহিসমা রব্বিকাল আ'লা”, "কুল ইয়া-আইয়্যুহাল কাফিরুন" ও "কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ” দ্বারা বিতরের সালাত আদায় করতেন। আর যখন সালাম ফিরাতেন, তখন তিনবার "সুবহানাল মালিকিল কুদ্দুস" বলতেন এবং তৃতীয়বারে উচ্চৈঃস্বরে বলতেন।
সুনানে নাসাঈ হাদিস ১৭৩২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর বিতরের নামাজের কিরাত এবং সালাত-পরবর্তী জিকর—দুই অংশই এসেছে। তিনি সূরা আল-আলা, সূরা আল-কাফিরুন ও সূরা আল-ইখলাস দিয়ে বিতর আদায় করতেন। সালাম ফেরানোর পর “সুবহানাল মালিকিল কুদ্দুস” তিনবার বলতেন। তৃতীয়বারে তিনি কণ্ঠ উঁচু করতেন। তাই “বিতরের নামাজের পর কী পড়তে হয়” এবং “সুবহানাল মালিকিল কুদ্দুস কতবার” প্রশ্নে এই বর্ণনা সরাসরি উত্তর দেয়। এখানে বিশেষভাবে সংখ্যা তিন এবং তৃতীয়বারের উচ্চস্বরে পাঠ উল্লেখযোগ্য। তবে হাদিসে প্রথম দুইবারের আওয়াজের মাত্রা বা অন্য কোনো অতিরিক্ত দোয়া বলা হয়নি। কিরাতের ক্ষেত্রেও তিন সূরার নাম এসেছে, কিন্তু অনুবাদে রাকাতভিত্তিক ভাগ নেই। তাই বর্ণনায় যতটুকু আছে, ততটুকুই অনুসরণযোগ্য তথ্য হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। এভাবেই হাদিসটির মূল নির্দেশনা স্পষ্ট থাকে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিতরে সূরা আল-আলা, আল-কাফিরুন ও আল-ইখলাস পাঠ করা হতো।
- সালাম শেষে ‘সুবহানাল মালিকিল কুদ্দুস’ তিনবার বলার বর্ণনা রয়েছে।
- তৃতীয়বার জিকরটি উচ্চস্বরে বলার কথা স্পষ্টভাবে এসেছে।
- বর্ণনায় না থাকা অতিরিক্ত দোয়া বা আওয়াজের ধরন যোগ করা উচিত নয়।
