২০/৩৭. অধ্যায়ঃ
বিত্রের সলাত সম্বন্ধে উবাই ইবনু কা'ব (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীস বর্ণনাকারীদের বর্ণনায় পার্থক্য
বিতর নামাজের তিন রাকাতে কোন সূরা পড়তেন নবী صلى الله عليه وسلم
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৭০০
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১৭০০
أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَنْبَأَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبْزَى، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ قَالَ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقْرَأُ فِي الرَّكْعَةِ الْأُولَى مِنَ الْوِتْرِ بِسَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى، وَفِي الثَّانِيَةِ بِقُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ، وَفِي الثَّالِثَةِ بِقُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ»
উবাই ইব্ন কাব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বিতরের প্রথম রাকাতে “সাব্বিহিসমা রব্বিকাল আ’লা”, দ্বিতীয় রাকাতে “কুল ইয়া আইয়্যুহাল কাফিরূন” এবং তৃতীয় রাকাতে “কুল হুয়াল্লাহু আহাদ” তিলাওয়াত করতেন।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৭০০-এর সারসংক্ষেপ
মূল বিষয়: বিতরের সূরা। উবাই ইবন কাব (রাঃ)-এর বর্ণনায় রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বিতরের প্রথম রাকাতে “সাব্বিহিসমা রব্বিকাল আ’লা” অর্থাৎ সূরা আলা, দ্বিতীয় রাকাতে “কুল ইয়া আইয়্যুহাল কাফিরুন” অর্থাৎ সূরা কাফিরুন এবং তৃতীয় রাকাতে “কুল হুয়াল্লাহু আহাদ” অর্থাৎ সূরা ইখলাস তিলাওয়াত করতেন। “বিতর নামাজে কোন সূরা পড়তে হয়” বিষয়ে এই হাদিস কিরাআতের একটি স্পষ্ট নববী আমল জানায়। এখানে কুনুত, সালাম বা সালাত শেষে যিকরের কথা নেই; সেগুলো ১৬৯৯ নম্বর বর্ণনায় এসেছে। তাই এই হাদিসের ব্যাখ্যার কেন্দ্র হলো তিন রাকাতে তিনটি নির্দিষ্ট সূরা। পাঠটি মনে রাখতে প্রথম-আলা, দ্বিতীয়-কাফিরুন, তৃতীয়-ইখলাস—এই ধারাবাহিকতা সহজ। এই ধারাবাহিকতা মুখস্থ রাখলে বর্ণনাটি সহজে মনে থাকে। এখানে শুধু কিরাআতের দিকটিই প্রধানভাবে এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রথম রাকাতে সূরা আলা তিলাওয়াত করা হয়েছে।
- দ্বিতীয় রাকাতে সূরা কাফিরুন পড়া হয়েছে।
- তৃতীয় রাকাতে সূরা ইখলাস তিলাওয়াত করা হয়েছে।
- এই বর্ণনার মূল বিষয় কিরাআত; কুনুত বা শেষের যিকর নয়।
