২০/৩০. অধ্যায়ঃ
বিত্র সলাতের সময়
বিতর নামাজের সময়: রাতের শুরু, মধ্যভাগ ও শেষ ভাগ
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৬৮১
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১৬৮১
أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ أَبِي حَصِينٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ وَثَّابٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: «أَوْتَرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ أَوَّلِهِ وَآخِرِهِ وَأَوْسَطِهِ وَانْتَهَى وِتْرُهُ إِلَى السَّحَرِ»
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বিতরের সালাত আদায় করতেন (কখনও) রাতের প্রথম অংশে, (কখনও) রাতের শেষ অংশে (আবার কখনও) রাতের মধ্য ভাগে কিন্তু শেষ বয়সে রাতের শেষ ভাগেই বিতরের সালাত আদায় করা অভ্যাসে পরিণত করে নিয়েছিলেন।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৬৮১-এর সারসংক্ষেপ
মূল বিষয়: বিতরের সময়। এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর বিতর নামাজের সময় সম্পর্কে বলেছেন। তিনি কখনও রাতের প্রথম ভাগে, কখনও মাঝরাতে, আবার কখনও শেষ ভাগে বিতর আদায় করতেন। এতে বোঝা যায়, রাতের ভেতরে বিতর পড়ার সময় একটিমাত্র নির্দিষ্ট মুহূর্তে সীমাবদ্ধ ছিল না। তবে হাদিসের শেষ অংশে একটি স্পষ্ট অভ্যাসের কথা এসেছে—শেষ বয়সে তাঁর বিতর রাতের শেষ ভাগ, অর্থাৎ সাহরির কাছাকাছি সময়ে গিয়ে স্থির হয়। তাই “বিতর নামাজের সময়” খুঁজলে এই বর্ণনার মূল শিক্ষা হলো সময়ের সুযোগ থাকা, পাশাপাশি শেষ রাতের আমলের প্রতি তাঁর পরবর্তী নিয়মিত অভ্যাস। এখানে অন্য কোনো ব্যক্তির জন্য কঠোর শর্ত বলা হয়নি; শুধু নবী صلى الله عليه وسلم-এর আমলের ধারাবাহিক পরিবর্তন তুলে ধরা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم রাতের প্রথম, মধ্য ও শেষ—তিন ভাগেই বিতর আদায় করেছেন।
- হাদিসে বিতরের সময়ের মধ্যে সুযোগ ও বিস্তৃতি দেখা যায়।
- শেষ বয়সে রাতের শেষ ভাগে বিতর পড়া তাঁর নিয়মিত অভ্যাস হয়।
