২০/৩. অধ্যায়ঃ
'ইবাদাত জ্ঞানে সাওয়াব লাভের নিয়্যাতে ক্বিয়ামুল লায়ল আদায়কারীর নেকী
রমজানের কিয়ামুল লাইলের ফজিলত ও গুনাহ মাফের আশা
সুনানে নাসাঈ : ১৬০২
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ১৬০২
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «مَنْ قَامَ رَمَضَانَ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি ‘ঈমান’ (দ্বীনের মৌলিক বিষয়সমূহের উপর বিশ্বাস) ও সওয়াব লাভের আশায় রমজান মাসে কিয়ামুল লাইলে (রাতের সালাত) আদায় করবে, তার পূর্ববর্তী সমস্ত (সগীরা) গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।
সুনানে নাসাঈ হাদিস ১৬০২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় রমজানের কিয়ামুল লাইল। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি ঈমান নিয়ে এবং সওয়াবের আশায় রমজান মাসে রাতের সালাত আদায় করে, তার পূর্বের গুনাহ মাফ করা হবে। এখানে দুটি বিষয় স্পষ্ট: আমলটি হতে হবে ঈমানের ভিত্তিতে এবং আল্লাহর কাছে সওয়াব পাওয়ার আশায়। তাই রমজানের তারাবি বা রাতের নামাজ শুধু অভ্যাস হিসেবে নয়, বরং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আদায় করা উচিত। এই হাদিস মানুষকে রমজানের রাতগুলো কাজে লাগাতে উৎসাহ দেয়। তবে হাদিসের ভাষা অনুযায়ী এটি গুনাহ মাফের আশা ও সুসংবাদ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমজানে রাতের সালাত আদায় করা বড় ফজিলতের আমল।
- ইবাদতের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত ঈমান ও সওয়াবের আশা।
- রমজানের রাতগুলো আল্লাহর কাছে ফিরে আসার সুযোগ।
- কিয়ামুল লাইল গুনাহ মাফের কারণ হতে পারে।
